09_putinরাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ­াদিমির পুতিন এবং ক্রিমিয়ার নেতারা ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করে নেয়ার বিল সই করেছেন। তবে ইউক্রেইনের অন্য কোনো অংশ দখলের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন পুতিন।  পার্লামেন্টের অধিবেশনে এক বক্তব্যে পুতিন বলেন, ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত গণভোটে রাশিয়ার সঙ্গেই আবার যোগ দেয়ার ব্যাপারে জনগণের স্বতস্ফুর্ত ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। রাশিয়ার জাতীয় সঙ্গীত বাজানোর মধ্য দিয়ে এ সময় পুতিন এবং ক্রিমিয়ার নেতারা এ উপদ্বীপকে রাশিয়ান ফেডারেশনের অংশ করে নেয়ার চুক্তি সই করেন। কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করবে রাশিয়ার পার্লামেন্ট। চুক্তি সইয়ের পর এক ঘোষণায় বলা হয়, জনগণের হৃদয়মনে ক্রিমিয়া সবসময়ই রাশিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েই আছে। পরে মস্কোর রেড স্কয়ারে এক সমাবেশে পুতিন বলেন, ক্রিমিয়া আবারো ‘বাড়ির আঙিনায়’ ফিরে এল। ইউক্রেইনে বিক্ষোভ এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞ উপেক্ষা করে ক্রিমিয়াকে রাশিয়ায় অন্তুর্ভুক্ত করে নেয়ার প্রক্রিয়ায় এগুলেন পুতিন। পুতিন এর আগে সোমবার ক্রিমিয়াকে একটি ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম’ রাষ্ট্রের স্বীকৃতী দিয়ে ডিক্রি জারি করেন। এতে বলা হয়, “গণভোটে ক্রিমিয়ার জনগণের দেয়া সিদ্ধান্ত ও তাদের ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রুশ সরকার তাদের রাষ্ট্রের স্বীকৃতী দিচ্ছে।”রোববারের গণভোটে ক্রিমিয়ার ৯৭ শতাংশ জনগণ ইউক্রেইন থেকে বেরিয়ে গিয়ে রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পক্ষে রায় দেয়ার পর রুশ ফেডারেশনে যোগ দেয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন জানায় ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট। এরপরই এ পথে ধাপে ধাপে অগ্রসর হচ্ছেন পুতিন। অন্যদিকে, পাল্টা  ব্যবস্থা হিসাবে রাশিয়া এবং ইউক্রেইনের ২১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞ আরোপ এবং সম্পদ জব্দের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে ক্রিমিয়ার গণভোটের কড়া নিন্দা জানালেও পশ্চিমা বিশ্ব মস্কোর বিরুদ্ধে প্রথম বাস্তবিক পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে। তারা কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখার চেষ্টা নিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য