বৃক্ষ মেলাপর্যাপ্ত প্রচানরার অভাব,প্রতিকুল আবহাওয়া ও স্থান সংকুলান না হওয়ায় রংপুরের পীরগঞ্জে ৪ দিন ব্যাপী আয়োজিত ফলদ ও কৃষি মেলা এবারে জমে ওঠেনি। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কোন ধরনের পুর্ব প্রচানরা ছাড়াই আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেলা উদ্বোধন এবং গতকাল রোববার বিকেলে তা শেষ হয়। মেলায় মোট ১৮ টি ষ্টল স্থান পায়। এর মধ্যে ১০ টি নার্সারী। উপজেলা প্রমাসনের সহযোগিতায় উপজেলা কৃষি বিভাগ এ মেলার আয়োজন করে। বিগত বছর গুলোতে পর্যাপ্ত প্রচারনা ও দৃশ্যমান স্থান উপজেলা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গনে মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। যে কারনে মেলায় যেমন জন সমাগম হয়েছিল পাশাপাশি বেচা বিক্রিও হয়েছিল প্রচুর। কিন্তু এবারে জনগনের চোখ এড়িয়ে প্রাচীর বেষ্টিত উপজেলা কৃষি দপ্তর প্রাঙ্গনে কর্দমাক্ত স্থানে মেলার আয়োজন করা হয় এবং কোন ধরনের পুর্ব প্রচার প্রচারনা ছাড়াই। উপজেলা নার্সারী মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল হাই জেল হাজোতে থাকায় তার পুত্র তৌহিদুল ইসলাম বিভিন্ন প্রজাতের ৩’শ চারা নিয়ে মেলায় এলেও বিক্রি হয়েছে মাত্র ৭০ টি। রায়পুরের ভাইবোন নার্সারীর মালিক আব্দুল মতিন মিয়া জানান,তিনি ১’শ চারা নিয়ে আসেন। অথচ মাত্র ২৫ টি বিক্রি হয়েছে। শ্রীরামপুর গ্রামের জেলী নার্সারীর মালিক ২’শ চারা নিয়ে এসে ৮০ টি বিক্রি করেছেন। দাড়িকাপাড়া গ্রামের গ্রীন নার্সারীর মালিক শ্রী মথুর চন্দ্র বর্মন জানান- তিনি ২’শ চারা নিয়ে এসে মাত্র ২০ টি বিক্রি করেছেন। এতে নার্সারী মালিকদের হাজার হাজার টাকা গচ্ছা যাচ্ছে। অন্যান্য নার্সারীর মালিকরাও একই ধরনের তথ্য জানিয়েছেন। তারা আরও জানান, নার্সারী থেকে তোলা চারা গুলো আর নার্সারীতে ফেরত নেয়া যাবে না। এজন্য নামমাত্র মুল্যে এগুলো বিক্রি করতে হবে তাদের। এতে বিপুল পরিমান লোকসান গুনতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েজন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান,কোন আলোচনা ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে কৃষি অফিসার সমীর চন্দ্র অফিস চত্বরে মেলার আয়োজন করেছেন। যে কারনে এবারের মেলা জন মানুষ ও দর্শক-ক্রেতা শুন্য।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য