ময়লা-আর্বজনা ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত প্রথম শ্রেণীর ফুলবাড়ী পৌরবাসীওয়েব ডেস্কঃ দিনাজপুরের প্রথম শ্রেণীতে অর্šÍভূক্ত ফুলবাড়ী পৌরসভার রাস্তা-ঘাট ময়লা-আর্বজনা ও জলাবদ্ধতায় বাসার ভিতরে দূগন্ধসহ রাস্তার বাহিরে চলাফেরা করা বিপর্যস্ত জনজীবন হয়ে উঠেছে প্রথম শ্রেণীর পৌরবাসীর।

পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের সাহাপাড়া নামক স্থানের রাস্তা-ঘাট তো নয় যেন ময়লা-আর্বজনার ডাস্টবিন। বাহিরে তো দুরের কথা ময়লা-আর্বজনার দূগন্ধে বাসায় থাকাও দায় হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর। নাকাল অবস্থার মুখে জিম্মি হয়ে পড়ে রয়েছে এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী, প্রবীর দাস বাবু, কপিলা পাল, সন্তোষ মহন্ত, শংকর প্রসাদ, কমল সাহা, বাপ্পি দাস, সোহেল পারভেজ ও শুভ বলেন, প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার পৌরবাসীদের জনজীবনে ময়লা-আর্বজনায় পরিপূর্ন। এলাকায় ময়লা-আর্বজনা ফেলার ডাস্টবিন না থাকায় তাদের যেখানে সেখানে ময়লা ফেলতে হচ্ছে।

নিদিষ্ট স্থানে ময়লা-আর্বজনা রাখলেও তা পরিষ্কার করানো হয় না। পরিষ্কার করা তো দুরের কথা দীর্ঘ দিন পরে একবার ড্রেন পরিষ্কারের নামে এসে ড্রেনের সব ময়লা-আর্বজনা তুলে এভাবেই রাস্তায় পাহার বানানো হয়। এসব ময়লা-আর্বজনার স্থুবের কারণে সামান্য বৃষ্টিতে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতায় নাকাল জনজীবন জিম্মি হয়ে বাসার বাহিরেসহ কর্মস্থানেও ঠিকমতো যেতে পারছেনা এলাকাবাসী।

এসব ময়লা-আর্বজনায় প্লাবিত পানিতে ও এলাকা জুড়ে দূগন্ধ বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে বিভিন্ন রোগ-বালাই পুরো। এতে মহিলাসহ শিশুরা ভূগছে নানান রোগে। এ ধরণের সমস্যার বিভিন্ন অভিযোগ মেয়রের নিকট করা হলেও কোন প্রকারের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় না। দীর্ঘ দিন থেকে তারা এধরনের পরিস্থিতির স্বীকার।

এলাকার মহিলারাও পারছে না বিভিন্ন প্রকার সমস্যা সম্মুখি হয়ে বাসার বাহিরে বের হতে। দীর্ঘ দিন থেকে তারা এধরনের পরিস্থিতির স্বীকার। সংযুক্তা দত্ত, পারুল দাস, আরতি গুপ্তাসহ এলাকার বিভিন্ন নারীরা বলেন এলাকায় ময়লা-আর্বজনা ও জলাবদ্ধতা জমাট হওয়ায় গড়ে উঠেছে খোলা প্রসাব খানা। লোকজনকে নিষেদ্ধ করার পড়েও নিয়োমিত প্রসাব পায়খানা করে যাচ্ছে ড্রেন ও ময়লা-আর্বজনার স্থুবের উপর। এতে এলাকার কোন মহিলারা লজ্জায় বাসা থেকে বের হতে পারে না।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র মুর্তুজা সরকার মানিকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ০১৭১২ ৭৪৯৭৩১ এই নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার মাসুদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আবহাওয়া খারাপের কারণে কোন জমাদার ঠিক মতো কাজ করতে পারছে না। তবে আবহাওয়া ভালো হলেই ময়লা-আর্বজনা পরিষ্কারের কাজ শুরু হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য