বীরগঞ্জে ভুয়া হারবাল চিকিৎসার রমরমা ব্যবসামোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ থেকেঃ বীরগঞ্জে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে হারবাল চিকিৎসার রমরমা ব্যবসার অন্তরালে প্রতারিত হচ্ছে শতশত মানুষ।

বাংলাদেশ হারবাল নামে কোন প্রতিষ্ঠানকে ড্রাগ ইনস্টিটিউট কর্তৃক লাইসেন্স বা অনুমোদন না দিলেও উপজেলা জুড়ে বিভিন্ন হাট-বাজারে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গজে উঠেছে বিভিন্ন হারবাল প্রতিষ্ঠান।

তারা নিজেদের নামি-দামি কবিরাজ বলে জাহির করে আসছে। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট না থাকলেও নিজেরা বিভিন্ন ঔষধের বড়ি তৈরি করে প্রতিনিয়ত ঠোকাছে সাধারণ মানুষকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন দাওয়া খানা আর হারবাল চিকিৎসার নামে একশ্রেণির প্রতারক চক্র বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও লিফলেটে চটকদারি বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসার নামে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা করে আসছে সাধারণ মানুষের সাথে।

হারবাল ঔষধ ব্যবসায়ীরা হারবাল ব্যবসার বাজারকে চাঙ্গা করার জন্য শহরের অলিতে-গলিতে ও অফিস-আদালত ক্যাম্পাস, স্কুল-কলেজের সামনে ও রাস্তার পাশে বিদ্যুতের পিলারে ও দোকানে, নারী-পুরুষের গোপন রোগ বিষয়ক অশ্লীল কথা-বার্তা দিয়ে বাহারী রঙের পোস্টার লাগিয়ে দিয়েছে।

হারবাল ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতা মূলকভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান চালু করে আসছে। হারবালের ঔষধের মান যাই থাক বাহারী রঙের লিফলেট দেখে সাধারণ মানুষ আকৃষ্ট হয়ে উচ্চ মূল্যে ঔষধ ক্রয় করে প্রতারিত হচ্ছে। বে-আইনী ভাবে এইসব হারবাল প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের লিফলেট শিশুদের মাধ্যমে কম খরচে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিলি করানো হয়।

কোন বাস দাড়ালে যাত্রীদের সিটে বা তাদের হাতে ধরিয়ে দেয়। শহরের বিভিন্ন অলিতে-গলিতে এমন ভাবে অশ্লীল বক্তব্যের পোষ্টার ও ব্যানার টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়েছে।  রাস্তার পাশে যে কোন দেওয়ালে, বাসে, হোটেল ও পাশের সকল জায়গায় এই অশ্লীল বক্তব্যের পোস্টার গুলো লাগানো হয়েছে। অভিভাবকদের অনেক সময় স্কুল পড়–য়া কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশ্নের সম্মুখিন হয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য