ঠাকুরগাঁওয়ের আদিবাসি মেয়ে হান্না চান্স পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্বএস,কে সোহেল রানা মাসুম, ঠাকুরগাঁও ॥ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীসংকৈল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ও বিশিষ্ট্য সংস্কৃতিপ্রিয়, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, লোক সংস্কৃতি গবেষক, স্পষ্ট ভাষী বক্তা, সৃষ্টিশীল চেতনা সম্পন্ন রাঙ্গাটুঙ্গি মহিলা ফুটবল একাডেমির সমসাময়িক ফুটবলপ্রেমি ও বিলুপ্ত প্রায় খেলুয়ারদের সংঘবদ্ধ করে নিজ উদ্দেগে ফুটবল একাডেমি তৈরি করেন।

এই কমল মতি খেলুয়ারদের নিজের সন্তানদের মত লালন করে প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীসংকৈলে নিজ গ্রাম রাঙ্গাটুঙ্গিতে খেলুয়ার সৃষ্টির অদমনীয় প্রানবন্ত স্বীয়ভাবনায় এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দায়িত্বভার বহন করে আসছেন আজ অবধি।

এই অজো পাড়াগাঁয়ের প্রানোবন্ত মহানপুরুষ তাজুল ইসলাম আপ্লুত কন্ঠে খেলুয়ারদের সামনে ঘোষনা দিলেন “বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৬তে বাংলাদেশ জাতীয় টিমে আজকের এই মাঠের হান্না চান্স পেয়েছে। রানীসংকৈল উপজেলার রাঙাটু্ঙ্িগ গ্রামে আদিবাসি মেয়ে হান্নার জন্ম । এসময় করতালিতে মাঠ ভরে ওঠে।

দল ছেড়ে এক পা দু’পা করে সামনে এগুতে থাকে হান্না। চোখ ছল ছল করে, দু’চোখের কোণায় জলের ফোটা বরফ আকার ধারন করে। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলে উঠে-অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম স্যারের জন্যই আজ সে জাতীয় দলের একজন খেলোয়ার । ঠিক সে মূহুর্তে তাকে প্রশ্ন করলে সে বলে -‘আমার সব কিছু স্যারের জন্য।

আমরা আদিবাসিরা সব কিছুতেই অবহেলিত,এখন মনে হচ্ছে আমার মনের আশা প্রতাশা পূর্ণহতে চলছে। জাতীয় ভাবে অনূর্ধ্ব ১৬ তে স্থান পেয়ে আমি খুব খুশি’। সুগা মর্মু, জয়নুল এক সময়ের মাঠ কাপানো খেলুয়ার ছিলেন আর তারাই  – মেয়ে দলের কোচের দায়িত্বে রয়েছেন।

রাঙ্গাটুঙ্গি ফুটবল মাঠটি দেখলে মনে হবে সু- দীঘল মেঠোপথ পারি দিয়ে আম ও লিচু বাগানের পাশ ঘেষে উচু নীচু আলোর বিশেষ পথ দিয়ে প্রকৃতি ঘেরা সুন্দর সুন্দর পোষাকে কম বয়সি খেলোয়ারদের জমজমাট ফুটবল খেলা আর সে সময় এ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম স্যার দাড়িয়ে খেলোয়ারদের খেলা দেখেন কে কতোটা ভাল করছে।
এ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম বলেন হান্না, শিল্পী,আদুরি, রাঙ্গাটুঙ্গি থেকে খেলার খাতিরে রাজধানি ঢাকায় প্রায় ৪৫০ কিঃমিঃ পারি জমাবেন আর তখনি আমার মন প্রান শান্তি পাবে “তিনি সকলের দোওয়া কামনা করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য