1aরংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কে প্রতিনিয়িত দূর্ঘটনা বাড়ছে। যাত্রী সাধারন বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়ত করছে। দেশে সড়ক জনপদে চলাচলের আইন থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার হয় না এ উপজেলায়। জনগন কে এ আইন সম্পর্কে সচেতন করতে তেমন কোন পদক্ষেপও নজরে আসেনি কাউনিয়া উপজেলায়। তাই অনেকে আক্ষেপ করে বলতে শোনা যায় রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কে হাইওয়ে আইন নিরবে কাঁদে।

সরেজমিনে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক পরিদর্শন করে দেখা গেছে ইরি-বোরো মৌসুমে কৃষক তাদের নিজেদের উঠান মনে করে অধিকাংশ সড়ক জুড়ে ধান মাড়াই এবং শুকানোর কাজ করছে। ধান শুকানোর সময় মহিলা ও শিশুদের বেশী দেখা যায়। এর ফলে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তার উপর রাস্তার দুধারের মাটি সরে গিয়ে কোন কোন স্থানে এক থেকে দেড়ফিট গর্ত হয়েগেছে। এর ফলে গাড়ি অভারটেক করার সময় গর্তে পড়ে দূর্ঘটনা বাড়ছে। আবার কোন কোন স্থানে সড়কের জায়গা দখল করে বাড়ি ঘর তোলায় দূর্ঘটনার আশংকা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইতি মধ্যে বেশ কিছু দূর্ঘটনা বেশ কয়েক জন মানুষের প্রান গেছে। রংপুর – কুড়িগ্রাম মহাসড়কের ধারন ক্ষমতার চেয়ে বেশী মালামাল নিয়ে ট্রাক গুলো চলাচল করলেও এ সব দেখার কেউ নেই। এর ফলে রাস্তার কারপেটিংএর কাজ করলেও অল্পদিনে তা নষ্ট হয়ে যায়।

মাঝে মাঝে রাস্তায় পুলিশ গাড়ির কাগজ পত্র চেক করলেও পুলিশের ভুমিকা নিয়ে সাধারন মানুষ নানা প্রশ্ন তোলে। কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় বেশ কয়েকবার রাস্তার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে,সে অনুযায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাহাফুজার রহমান মিঠু জেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি উৎথাপন করলেও আজ পর্যন্ত তেমন কোন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। সচেত মানুষের দাবী রংপুর-কৃড়িগ্রাম মহাসড়কে দৃর্ঘটনা কমানে সড়ক ব্যবহারের আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সহ সড়ক সংস্কার করা অতিব জরুরী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য