Rangpur Mapপীরগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস থেকে রহস্যজনকভাবে একটি আর এস খতিয়ান বহি  গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় নানা সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।  এদিকে ওই রেকর্ড বইটি না থাকায় উপজেলার পীরগঞ্জ ইউনিয়নের সাধারন মানুষ প্রতিনিয়তই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

জানা গেছে, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আর এস খতিয়ান বই,রেজিষ্টার ৮ (খাসরেজিঃ) বই, রেজিষ্টার ১২ (পত্তন রেজিঃ) বইন ২৬২/৮৭ নং মোকদ্দমার কারণে বিগত ১৯৯২ ইং সালে রংপুর সরকারী জজ আদালতে তলব করা হয়। সেখানে শুনানী শেষে তদানিন্তন পীরগঞ্জ উপজেলার পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দস স্বারক ২৫৭ নং তাং -১৪/৩/১৯৯২ ইং তারিখে ফেরত চেয়ে আবেদন করেন।

বিগত ১৭/০৩/১৯৯২ ইং তারিখে বিজ্ঞ সহকারী জজ বহিটি ফেরত দেয়ার জন্য নির্শে প্রদান করেন। ওই দিনই পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা রুজুল কুদ্দস স্বয়ং রেজিষ্টারে স্বাক্ষর করে বইটি ফেরত নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই ওই তিনটি বহির মধ্যে রেজিষ্টার ৮ (খাস রেজিঃ) বই,রেজিষ্টার ১২ (পত্তন রেজিঃ) বই অফিসে সংরক্ষিত থাকলেও আর এস খতিয়ান বইটি রহস্য জনক কারনে উধাও হয়ে গেছে।

এজন্য বইটি না থাকায় পীরগঞ্জ ইউনিয়নের শতশত মানুষ প্রতিনিয়তই ভুমি জটিলতায় ভোগান্তীর শিকার হচ্ছে। বইটির বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে খোঁজ করতে গেলে সংশ্লিষ্ট তহসীলদার জানান, খোঁড়া অযুহাতে দিয়ে বলেন-২৬২/৮৭ নং মোকদ্দমার কারনে বইটি সজকারী জজ আদালতে জমা আছে। অথচ জজ আদালতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,তহসীলদার রুহুল কুদ্দস নিজেই বর্নিত তিনটি বই ফেরত এনেছেন।

রহস্যজনক কারনে কেন আর এস খয়িান বইটি তহসীল অফিস সংরক্ষন করেনি তা এখনও এই এলাকার সাধারন মানুষের অজানাই রয়ে গেছে। উপজেলার পীরগঞ্জ ইউনিয়নের বর্তমান দায়িত্ব প্রাপ্ত তহসীলদার লিয়াকত আলী জানান,বইটি ফেরত নিয়ে আসার জন্য শফিকুল নামের এক ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,বইটি উক্ত অফিসে নেই।

এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকশের পর বিষয়টি নিয়ে ত্লোপাড় শুরু হয়। তহসীলদার লিয়াকত আলী জানান, তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন। কিন্তু অদ্যাবধি বিষয়টির কোন সুরাহা হয়নি। এলাকার ভুক্তভোগী মহল বিষয়টিতে সংশ্লিষ্ট উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য