ডিমলায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সেচ্ছাশ্রমে বাঁধ২০ হাজার পরিবারের আশা নিরাশার বাঁধটি রক্ষায় জরুরী প্রয়োজন পানি উন্ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ। প্রয়োজন জিও টেক্রটাইলসহ সিসি ব্লক।

নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার উজানে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে সেচ্ছাশ্রমে যৌথ বাঁধ নির্মান করা হয়েছে। বাঁধটি নির্মানের ফলে  তিস্তার পাড়ের ২০ হাজার পরিবার বন্যার পানি থেকে রক্ষা পাবে। বাঁধটি নির্মানের ফলে ডিমলা উপজেলার ৯নং টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চড় খড়িবাড়ী গ্রামে চলতি বছরে বন্যায় ২০ হাজার পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে।

তবে বাঁধটি বালির হওয়ায় বর্তমান বর্ষা মৌসুমে প্রযোজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে জিও টেক্রটাইল ও সিসি ব্লক ছাড়া বাঁধটিকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। যা সম্পূর্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের দয়ার উপড় নির্ভর করছে। তৎকালীন পাউবো’র প্রধান প্রকৌশলী আতিক হোসেন বাঁধটি রক্ষার জন্য জিও টেক্রটাইল ও সিসি ব্লকের বরাদ্দ দিয়ে বাঁধটি রক্ষার আশ্বাস দিলেও। তিনি হটাৎ বদলি হয়ে চট্রগ্রাম বিভাগের এডিজি’র দায়িত্ব নেয়ায়। বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তবে নীলফামারী-১(ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার মাননীয় মন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ে বরাবরে বাঁধটি রক্ষার জন্য জিও টেক্রটাইল ও সিসি ব্লকের আবেদন করেছেন। এবং বর্তমান পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চল প্রধান প্রকৌশলী আঃ মান্নান খান বলেন গত ১২/০৫/১৬ইং পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় ঢাকার বরাবরে বাঁধটি রক্ষা করার জন্য তড়িৎ একটি প্রতিবেন প্রেরন করার প্রস্তাব পাঠিয়েছি।

বাংলাদেশ ভারত যৌথ বাঁধের উজানে সেচ্ছাশ্রমে বাঁধটির দৈঘ্য ধরা হয়েছে ১হাজার ২শ ৬০ফিট, প্রস্ত ৫০ ফিট। ইতিমধ্যে বাঁধটি পুরোপুরি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এলাকাবাসীর সকলের সহযোগীতায় বাঁধটি নির্মান করা হয়েছে। বাঁধটি নির্মানে এলাকার লোকজন বাঁশ, বালুর বস্তা ও সেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছে। বাঁধটি নির্মানে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১লক্ষ ৫০ হাজার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম ১লক্ষ, রফিকুল ইসলাম ঠিকাদার ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। বাঁধটি নিমূানে মোট ব্যয় দাড়ায় ১৫ লক্ষ টাকা।

সেচ্ছাশ্রমে বাঁধটি নির্মান করা হয়েছে। এখন বাঁধটি রক্ষা করা গেলে নীলফামারীর টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের একতার বাজার, চরখড়িবাড়ী, ঝিঞ্জির পাড়া, লালমনিরহাটে হাতিবান্ধা  উপজেলার সানিয়াজান, গুড্ডিমারী ও বাউরা ইউনিয়নের ২০হাজার পরিবার তিস্তার বন্যার পানি থেকে রক্ষা পাবে।

বাঁধটি নির্মানের মূল উদ্যেক্তা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামঅলীগ মনোনীতচেয়ারম্যান প্রার্থী ময়নুল ইসলাম জানায়, এলাকার সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাঁধটি নির্মানের কাজ সম্পন্য হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, বাঁধটি রক্ষা করাগেলে তিস্তার বন্যার প্রবল গ্রাস থেকে কয়েকশত হেক্টর আবাদী জমির ক্ষেত বন্যার পানি থেকে রক্ষা পাবে। বাঁধটি রক্ষায় প্রয়োজনীয় জিও টেক্রটাই ও সিসি ব্লকের জরুরী প্রয়োজন হয়ে দাড়িয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য