Gaibanda Mapআরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম সরকারি ম্যানুয়াল প্রদত্ত তার দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। ফুলছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাকে নানাভাবে দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম এক লিখিত অভিযোগে জানান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় প্রকাশিত উপজেলা পরিষদ ম্যানুয়াল জুলাই ২০১৩ সংশোধনী আইন বইয়ের ২৯ ধারা এর উপধারা ২ অনুসারে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানগনের মধ্য থেকে সভাপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু গাইবান্ধা ফুলছড়ি উপজেলায় এই আইন মানা হচ্ছে না। আইনের অপব্যবহার করে তাকে বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাদ দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সভাপতি হিসেবে নিজেই দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লৈখ্য, ম্যানুয়াল অনুযায়ি পদাধিকার বলে ভাইস চেয়ারম্যানের যে সমস্ত বিভাগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা সেগুলো হচ্ছে আইন শৃংখলা, যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি ও সেচ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার পরিকল্পনা, যুব ও ক্রীড়া উন্নয়ন, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন, সমাজকল্যাণ, ভূমি, মৎস্য ও পশু সম্পদ, পল্লী উন্নয়ন সমবায়, তথ্য ও সংস্কৃতি, বন ও পরিবেশ এবং বাজার মূল্য পর্যবেক্ষণ, মনিটরিং ও নিয়ন্ত্রণ। যার একটিরও সভাপতির দায়িত্ব ভাইস চেয়ারম্যানকে দেয়া হয়নি।

এছাড়াও ম্যানুয়ালের ২৮ ধারায় উলে¬¬খ আছে পরিষদের সভায় আলোচ্য বা নিষ্পত্তিযোগ্য কোন বিষয় সম্পর্কে মতামত প্রদান বা পরিষদকে অন্যবিধভাবে সহায়তা করার জন্য উপজেলা পর্যায়ের ভাইস চেয়ারম্যান উপস্থিত থাকবেন এবং আলোচনায় অংশ গ্রহণ করতে ও তাহার মতামত ব্যক্ত করতে পারবেন। অথচ তাকে সে সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। উপরন্ত নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।

এব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম আরও বলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার ২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত উপজেলা পরিষদে তাকে একটি বসার জায়গা পর্যন্ত দেয়া হয়নি। এব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রী, সমবায় মন্ত্রণালয়সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে প্রয়োজনীয় প্রতিকারসহ তার সঠিক মূল্যায়ন দাবি করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য