Songorsho2নীলফামারী জেলার দুই উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে গতকাল শনিবার শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহন শেষ হলেও ভোট গণনার পর ভোট কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার পর পরাজিত এক ওয়ার্ড সদস্যের সমর্থকরা ভোট নেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিতদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

এ সংঘর্ষে অন্তত তিন জন আহত হবার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে দুই জনকে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে ও একজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় হামলাকারীদের মধ্যে ৪ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ সহ ৭ জনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। জেলা সদরের সংগলশী ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ সময় পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে তিন রাউন্ড রাবাব বুলেট ও বেশ কিছু টিয়ালশেল নিক্ষেপ করে।

জানা যায়, জেলা সদরের সংগলশী ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের কমিউনিটি ক্লিনিক সাব সেণ্টারে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষনা করে। এরপর প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ ভোট কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টরা নীলফামারীর উদ্যেশে রওয়ানা হয়। ওই ওয়ার্ডের পরাজিত সদস্য প্রার্থী আমিনুর রহমানের সমর্থকরা রাত ৮টার দিকে তাদের পথ রোধ করে। তারা সেখানে পুনরায় ভোট গণনার দাবী জানায় এবং পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন।

এ সময় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ এসে লাঠি চার্জ করে তিন রাউন্ড রাবার বুলেট ও বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। ইট পাটকেল ও টিয়ালসেলে আহতদের মধ্যে একজনকে রংপুর মেডিকেলে পাঠানো হয়। অপর দুই জনকে নীলফামারী আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিমাদ্রী শংকর রায় বলেন, ভোট গণনা শেষে সকল প্রার্থীর মাঝে ফলাফল বুঝিয়ে দেয়া হয়।

সেখানে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারন সদস্য পদে বেসরকারীভাবে বিজয়ী হন টিউবয়েল প্রতিকের প্রার্থী খয়রাত হোসেন। তিনি ভোট পান ৬৩৪টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ছিলেন মোরগ প্রতিকের আমিনুর রহমান। তিনি ভোট পান ৫৭৫।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য