সিরিয়ায় বিষাক্ত ‘মাস্টার্ড গ্যাস’ ব্যবহার করেছে আইএসআন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে তথা কথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস) মাস্টার্ড গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি এই তথ্য জানিয়েছে। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা সোমবার রাতে জানিয়েছে, আইএসের সন্ত্রাসীরা দির আল-জৌরে সেনা বিমানঘাঁটিতে মাস্টার্ড গ্যাসবহন কারী রকেট দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এরফলে বেশ কিছু মানুষ শ্বাসকষ্টে ভুগেছিল।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই খবরের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি রয়টার্স। দির আল-জৌর কৌশলগত কারণেই সরকারি বাহিনী ও আইএসের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই প্রদেশটিতেই রয়েছে আইএসের কথিত রাজধানী রাক্কা। মাসের পর মাস ধরে আইএসের দখলে থাকা দির আল-জৌর শহরের একটি বিশাল অংশে এখনো ২ লাখ মানুষ বসবাস করছেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে জাতিসংঘ বিমান থেকে এই শহরটির মানুষের জন্য জরুরি সহায়তা ফেলেছিল।

শহরটি সরকারি বাহিনী ঘিরে রেখেছে। শহরটির দক্ষিণাংশে এই বিমান ঘাঁটিটিই সিরীয় সরকারি বাহিনীর শেষ কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান। গেল মাসে আইএস ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় শহর তাজায় মাস্টার্ড গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তিন শিশু নিহত এবং শত শত মানুষ আহত হন। বিষাক্ত সালফাল মাস্টার্ড গ্যাসই ‘মাস্টার্ড গ্যাস হিসেবে পরিচিত। এর বিষক্রিয়ায় চামরা, চোখ, শ্বাসযন্ত্র এবং শরীরের ভেতরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গের ক্ষতি হয়।

অন্যদিকে, আলেপ্পোয় বিদ্রোহীরা একটি সিরীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে বলে জানা গেছে। অসমর্থিত একটি প্রতিবেদন বলছে, নুসরা ফ্রন্টের জঙ্গিরা বিমানটির একজন পাইলট জীবিত অবস্থার ধরতে সক্ষম হয়েছে। বিদ্রোহীদের সূ্ত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত গোষ্ঠীটি পাইলটকে ধরে নিয়ে যায়। সিরিয়ার টেলিভিশন জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে এবং একটি উদ্ধার অভিযান শুরু হবে। কিন্তু কোনো পাইলট আটক হওয়ার খবর টেলিভিশনে জানানো হয়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য