নির্বাচন প্রচারণাআরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঁঙ্গে উঠেছে। উপজেলায় ৩১মার্চ দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে ১৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে মামলা জনিত কারণে ২টি ইউনিয়নে নির্বাচন স্থগিত থাকলেও ১৩টি ইউনিয়নে দলীয় ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদে ৯২ জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে মাঠে অবস্থান করছেন।

এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা ও সাধারণ সদস্য পদে- ৮শ’১৫ জন প্রার্থী প্রতিনিয়তঃ নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এদিকে নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে প্রার্থীরা ততই খাওয়া-নাওয়া ছেড়ে কোমর বেঁধে ভোটারদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে নিজের অবস্থানসহ দলের আদর্শের চুল ছেড়া বিশ্লেষণ করছেন। অনেকেই আবার আগাম উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছেন। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা এতই তুঁঙ্গে উঠেছে যে অনেক চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে সমর্থকদের নিয়ে দল বেঁধে দিনে বেলাও নিরব শো-ডাউন করছেন।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতে না আসতেই বিভিন্ন হাট বাজার রাস্তা ও মহল্লার মোড়ে মোড়ে চা ও পানের দোকান গুলোতে ভোটারদের আপ্যায়ন দৃষ্টি নন্দন হয়ে পড়েছে। এছাড়া তাদের সমর্থনে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভোট প্রচার-প্রচারণার মাইক গুলো গর্জে ওঠায় স্কুল কলেজ গামীসহ পরীক্ষার্থী ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনায় বিঘœ ঘটাচ্ছে। অনেকে মহিলাদের হাতে পান-সুপারির পোটলা ধরিয়ে দিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে আপ্যায়ন করাচ্ছেন।

কেউ কেউ আবার নাকের ফুল-কানের দুল, ব্লাউজ, শাড়ি, পেডিকোট লুকোচুরি করে ভোট পাওয়ার আশায় মহিলা ভোটারদের মাঝে বিতরণ করছে। রাতে পালাক্রমে ভোটারদের বাড়িতে-বাড়িতে প্রার্থীদের আগমন ঘটায় সাধারণ ভোটাররা গভীর রাত পর্যন্ত ঘুমাতে পারছেন না। এদিকে উপজেলা প্রশাসন আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ৬৭ জন প্রার্থীর অর্থদন্ড করলেও থেমে নেই বিধি লঙ্ঘন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য