মহানবীকে ‘কারাগারে’ পাঠানোর কথায় বরখাস্ত মিশরীয় মন্ত্রীআন্তর্জাতিক ডেস্কঃ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) যদি আইন ভাঙতেন তবে তিনি তাকে কারগারে পাঠাতেন- এমন কথা বলে পদ হারিয়েছেন মিশরের বিচারমন্ত্রী আহমেদ আল জিন্দ।

শুক্রবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জিন্দ এমন কথা বলেছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ‘আল্লাহ আমাকে মাফ করুন’ও বলেছিলেন।[ads1]

পরেরদিন শনিবার তিনি নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থনাও করেছিলেন। কিন্তু এসব করেও পার পাননি তিনি। তাকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল।

জিন্দের পরিবর্তে কাকে মিশরের বিচারমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হওয়া যায়নি। জিন্দ মুসলিম ব্রাদারহুডের একজন কট্টর সমালোচক ছিলেন।[ads1]

বিস্তারিত কিছু না জানিয়েছে সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল একটি ডিক্রি জারি করে আহমেদ আল জিন্দকে তার পদ থেকে বরখাস্ত করেছেন।”

এক বিবৃতিতে জিন্দকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন মিশরীয় বিচারকরা। জজেস ক্লাবের প্রধান আবদাল্লাহ ফাতা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, মুখ ফস্কানো এমন কথাবার্তা যে কারো ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে।[ads1]

তিনি বলেন, “যে মিশর ও তার জনগণকে, বিচার ব্যবস্থাকে এবং জাতিকে রক্ষা করতে ভূমিকা রেখেছে তাকে এভাবে শাস্তি দেওয়ায় মিশরীয় বিচারপতিরা দুঃখিত।”

আপিল আদালতের সাবেক বিচারপতি জিন্দ মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রকাশ্য সমালোচক ছিলেন। মিশরের সাবেক নেতা হোসনি মুবারকের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানেরও সমালোচক ছিলেন তিনি।

২০১১ সালের ওই অভ্যুত্থানে মুবারক ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছিল মুসলিম ব্রাদারহুড। পরে গণঅসন্তোষের সুযোগে ব্রাদারহুডের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসিকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে মিশরীয় সেনাবাহিনী।

ওই সময়গুলো ও পরবর্তী সময়ে জিন্দ মিশরীয় বিচার ব্যবস্থা ও এর শক্তিশালী অবস্থান রক্ষা করেন।
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য