Birgonj Mapবীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ বীরগঞ্জে ধর্ষন মামলার আসামীরা বাদী কলেজ ছাত্রীকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে, পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি।

বীরগঞ্জ থানা সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের মলিন চন্দ্র রায়ের ছেলে দিনাজপুর সরকারী কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র জ্যোতিশ চন্দ্র রায় (২৫) একই গামের মৃত ভদ্র মোহন রায়ের মেয়ে ও গোলাপগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের স্নাতক (শেষ বর্ষের) ছাত্রী রিতী রানী রায় নিলিমা (২০) দু’জনে খেলার সাথী ৩বছর পর্বে ভাললাগা থেকে ভালবাসা ও অবশেষে প্রেমে পড়ে তারা।

নিলিমা প্রেমিককে বিয়ের কথা বলে কিন্তু জ্যোতিশ বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপন করতে থাকে। পিতৃহারা  নিলিমার মা ও ভাই ঠাকুরগাঁও জেলা সদরে বিবাহ ঠিক-ঠাক করে ৫০ হাজার টাকা বরকে প্রদান করে। সংবাদ পেয়ে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জ্যোতিশ প্রেমিকার মা-ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে বাড়ীতে এসে ঘরে ঢুকে বলে আজই আমি তোমাকে বিবাহ করব।

প্রেমের সুত্র ধরে নগদ ১লক্ষ টাকা ও ৭০হাজার টাকা মুল্যের স্বর্ণালঙ্কার সহ জোর করে বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে যায়। রাতের অন্ধকারে ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে মুখ চিপে ধরে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। কলেজ ছাত্রী চিৎকার করলে মুখে বিষ ঢেলে দেয়।

প্রেমিক জ্যোতিশ নগদ ১লক্ষ টাকা ও ৭০হাজার টাকা মুল্যের গহনা নিয়ে পালিয়ে যায়। ধর্ষিতা কলেজ ছাত্রী নিকটস্থ তৈলক্ষ চন্দ্র রায়ের বাড়ীতে গিয়ে ধর্ষনসহ ঘটনা জানালে তাকে বাড়ীতে পৌছে দেওয়া হয়। পরিবারের লোকেরা তাৎক্ষনিক কলেজ ছাত্রী রিতী রানী রায়কে মুমুর্ষ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

উল্লেখিত ঘটনায় রিতী রানী রায় নিজে বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইন (সংশোধনী/২০০৩)’র ৯(১) তৎসহ ৩০৭ ও ৩৭৯ ধারায় ৪(১)১৫নং-মামলা দায়ের করেছে। কলেজ ছাত্রী নিলিমা জানান, আসামীর বাবা মলিন চন্দ্র রায় ও তার ভাই বিজয় চন্দ্র রায় মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে অন্যথায় হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

সে উর্দ্ধতন পুলিশের আশু হস্তক্ষেপের জোর দাবী জানিয়েছে। ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কলেজ ছাত্রীর মেডিকেল রির্পোটে ধর্ষনের আলামত পাওয়া গেছে। পলাতক আসামী কলেজ ছাত্র জ্যোতিশ চন্দ্র রায়কে গ্রেফতারের জোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য