চিরিরবন্দরে বিল দখলকে কেন্দ্র করে মসজিদে মারধরে মুসুল্লী আহতচিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বিলদখলকে কেন্দ্র করে মসজিদে জুম্মার নামাজ শেষ না হতে মারধরে ৪ মুছুল্লী আহত হওয়ার ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী, দল্লা গ্রামের জসিউর রহমানের পুত্র মেহেবুর রশীদ ওরফে বাবু মাষ্টারের সাথে একই গ্রামের  দল্লা  জনসংগঠন সমিতি ও মিশনপাড়ার ভুমিহীন ১৪০ পরিবারেরদীর্ঘদিন ধরে কাঞ্চন বিলের মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এরই জের ধরে গত শুক্রবার ১৯ ফ্রেব্রুয়ারী দল্লা নোনামাটি জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষ না হতেই ওই গ্রামের মৃতঃ এনামুলের পুত্র মাসুদ রানা (৩০),ফরমুল্লা শাহের পুত্র মোকাররম (৪০), জহুরুল (৩০), একরামুল (৪২), রোস্তম আলীর পুত্র মাহমুদুল (২৫), আইনুদ্দীনের পুত্র জাহেদুল (৩০), মাইনুদ্দীনের পুত্র মঈনুল (৩৫), মকলেছুর (৩০), মৃত আছান উদ্দীনের পুত্র আনিছুর রহমান (৩০), মতিউর রহমান (৩৫), হবিবর ওরফে বাচ্চুর পুত্র রুবেল (২২) মৃত মফিজউদ্দিনের পুত্র আজিজুল (৪৫), আমিনুল (৪০), আজিুজুলের পুত্র মিরাজুল (২৫) ও হাসিনুর (১৯)কে ফরজ নামাজ শেষ হওয়া মাত্রই টেনে হেচড়ে মসজিদ থেকে বের করে বেধড়ক লাঠিপেটা করে।

সংবাদ পেয়ে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে গুরুতর আহত আজিজুলকে পুলিশ উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

বাকী ৩ জনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরদিন বিকালে আহত আজিজুলের ভাই ফাইজুর রহমান থানায় অভিযোগ দিতে গেলে অজ্ঞাত কারনে অফিসার ইনচার্জ অভিযোগ নিতে অপারগতা প্রকাশ করে।

এ ব্যাপারে চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আনিছুর রহমান জানান, বিষয়টি অবগত হয়েছি তবে কেউ আমার কাছে অভিযোগপত্র নিয়ে আসেনি।

দাবীকৃত বিলের ব্যাপারে চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজ মাহমুদ ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) আব্দুল্লাহ আল জাকির জানান, বিলটি খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত, তাই বিলটি কেউ মালিকানা দাবী করতে পারেনা।

উম্মুক্ত জলাশয় হিসাবে সবার মাছ ধরার অধিকার রয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য