08 popyবড়পর্দায় তো নেই বললেই চলে। অন্যদিকে ছোটপর্দায়ও উপস্থিতি চোখে পরার মতো না তবে কি চাকচিক্যময় আনন্দভুবন থেকে বিদায় নিচ্ছেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পপি। তবে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ওপর আত্মবিশ্বাস হারিয়ে প্রযোজনার খাতায় নামলেখাতে চাইছেন চিত্রনায়িকা পপি।
গত দুই বছরেও নতুন কোনো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হতে পারেননি তিনি। এ নিয়ে তার মনে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এবার আর অন্য কারো ধার ধরতে চাইছেন না পপি। নিজেই চলচ্চিত্র প্রযোজনা করে তাতে অভিনয় করবেন বলে জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে পপি বলেন, তিনি আর অন্যের ওপর ভরসা করবেন না। প্রযোজনায় আসার জন্য নিজেকে প্রায় গুছিয়ে ফেলেছেন।
পরিবার ও ব্যক্তিগত কিছু কাজ সমাপ্ত করেই আবারো পুনরোদ্যমে প্রযোজনায় মনোযোগ দেবেন পপি। প্রযোজক হিসেবে বছরে তার একাধিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এর ফাঁকে মানসম্পন্ন কোনো ছবির প্রস্তাব পেলে তাতে অভিনয়ের ব্যাপারটি ভেবে দেখবেন তিনি।
হঠাৎ করে প্রযোজনায় আসার সিদ্ধান্ত নেয়া প্রসঙ্গে পপি বলেন, “চলচ্চিত্রশিল্প আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে। এর সুবাদে একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছি। এবার চলচ্চিত্রকে আমার কিছু দেয়ার সময় এসেছে। সেই চিন্তা থেকে প্রযোজনায় আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি, খুব শিগগিরই নতুন ছবির ঘোষণা দিতে পারব। ”
এদিকে, অনেক আগেই বেশ কয়েকটি ছবির শুটিং শেষ করে রেখেছিলেন পপি। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সেগুলোর মুক্তির নামগন্ধ নেই। পরিচালকরাও এ ব্যাপারে দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এ নিয়েও বেজায় ক্ষুব্ধ পপি। এসব ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাহিদ হোসেনের ‘লীলামন্থন’, নারগিস আক্তারের ‘পৌষ মাসের পিরিতি’, সাদ্দাম হোসেন মাসুমের ‘বিয়ে হলো বাসর হলো না’, জাকির হোসেনের ‘চার অক্ষরের ভালোবাসা’, ‘শটকাটে বড়লোক’, ‘আদরের বড় ভাই’ ও ‘দ্য ডিরেক্টর’।
এ প্রসঙ্গে আক্ষেপের সুরে পপি বলেন, “আমি সব ছবির কাজই সময়মতো করে দিয়েছি। কিন্তু পরিচালক-প্রযোজক ছবি মুক্তি না দিলে করার কিছুই নেই। ” ১৯৯৬ সালে ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ ছবির মাধ্যমে রূপালী পর্দায় পা রাখেন পপি। তবে ‘কুলি’ ছবির মাধ্যমে মূলত লাইমলাইটে আসেন তিনি। এ পর্যন্ত পপি অর্ধশতাধিক জনপ্রিয় ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। সর্বশেষ বছর দুয়েক আগে তার ‘গার্মেন্টস কন্যা’ ছবিটি মুক্তি পায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য