রেসিপি পরিমাণঃ (পরিমাণ অনুমান করে দেয়া হয়েছে, সামান্য এদিক ওদিকে কি আসে যায়)
– একটা হাঁস
– হাফ কাপ পেঁয়াজ বাটা
– দুই চামচ আদা বাটা
– দুই চামচ রসুন বাটা
– ঝাল বুঝে লাল গুড়া মরিচ
– এক চামচ হলুদ
– গরম মশলা  বাটা (চার/পাঁচটে এলাচি, কয়েক টুকরা দারুচিনি, জয়ত্রী, সামান্য জয়ফল )
– এক চামচ জিরা
– দুই চামচ টমেটো সস
– ২ চামচ ভিনেগার
– এক চামচ চিনি
– এক চামচ কাবাব মশলা (বাজারে প্যাকেটে পাওয়া যায়। এতে রং ও স্বাদ বেড়ে যাবে তবে না থাকলে নাই)
– পরিমাণ মত লবণ
– পরিমাণ মত তেল

প্রস্তুত প্রণালীঃ

হাঁস পরিষ্কার করে নিন। তারপর উপরে উল্লেখিত সব মশলা পাতি দিয়ে (তেল সহ) ভাল করে হাসটি মেখে নিন। লবণ দিতে ভুলবেন না।


হাঁসের ভিতরে বাইরে যেন ভাল করে মশলা লেগে যায়। এভাবে প্রায় ঘণ্টা খানেক রেখে দিতে পারেন। ম্যারিনেটেড। এতে মশলা মাংসে ভাল করে লেগে যাবে। চাইলে কয়েকটা কাঁচা মরিচ দিতে পারেন।


এবার একটা ফ্রাই প্যানে সামান্য তেল নিয়ে ভাল করে গরম করে হাঁসটিকে হালকা ভেজে নিন। এটা এজন্য যে, এতে হাঁসের মাংস নরম হয়ে যাবে, প্লাস স্বাদ বেড়ে যাবে।


বেশি নয়, এপাশ ওপাশ করে হালকা ভাজি।


এবার হাঁসটিকে ইলেকট্রিক ওভেনের ট্রেতে তুলে দিন।


বেছে যাওয়া মশলা গুলো ফ্রাই প্যানের তেলে দিন এবং সামান্য কষিয়ে হাঁসের উপর বিছিয়ে দিন।


এবার ওভেনে ২০০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রটে ওভেনের মাঝামাঝি আধা ঘণ্টার জন্য দিন।


মাঝে মাঝে দেখতে ভুলবেন না।


কেমন পোড়া পোড়া কাবাব বানাবেন এটা আপনার উপর নির্ভর করছে। মিনিট বিশেকে না হলে আরো কিছু ক্ষণ রাখতে পারেন। বার দুয়েক খুলে তেল মশলা কাবাবের উপর দিয়ে দিন।


মাংস নরম হল কি না তা দেখে নিন। ছুরি চামচ দিয়ে দেখতে পারেন। ভিতরে না বাইরে আরো আগুনের আঁচ লাগবে তা দেখে নিতে পারেন। যদি ভিতরে আগুনের আঁচের দরকার হয় তবে ট্রে নামিয়ে দিন। আর উপরে লাগলে ট্রে উপরে উঠিয়ে দিন। এতে সঠিক মাত্রায় কাবাবের চারপাশ নরম হয়ে যাবে।


হাঁসের মাংস একটু শক্ত বলে নিজেই দেখে নিবেন।


ব্যস, হয়ে গেল হাঁসের মাংসের গ্রিল কাবাব।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য