Nirjaবীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ বীরগঞ্জে গত বুধবার বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে অনশন করছে স্কুল ছাত্রী লাবনী আক্তার (১৫)।

উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী লাবনী আক্তার একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের বিএ ক্লাসের ছাত্র সবুজ (২২) বাড়ীতে বেলা ১২টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত বিবাহের দাবীতে অনশন করেছে। জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে কু-প্রস্তাব দিয়ে উক্তোত্ত করে আসত সবুজ।

এক পর্যায় তাদের মধ্যে প্রেমের ও অবৈধ সম্পর্ক হয়। ইতিপূর্বে ঘটনাটি জানাজানি হলে লাবনীর বাবা সবুজকে বাজার থেকে ধরে বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে মারপিট করেছে। কয়েকদিন পর আবারও লাবনীকে পেতে পূর্বের ন্যায় পরকিয়া প্রেমে রূপ পায়।

গত বুধবার লাবনী সকালে স্কুলে যায় সবুজ মোবাইলে লাবনীকে তাদের বাড়ীতে দাওয়াত করে। লাবনী স্কুলে থেকে ফিরে সবুজের বাড়ীতে শয়ন ঘরে ঢুকে অবস্থান নেয় ও বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে লাবনীর চাচা হাফিজুল ইসলাম মা-বোন, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক সরকার, ইউপি সদস্য আলিম উদ্দিনকে সাথে নিয়ে এলাকাবাসীসহ সবুজের বাড়ীতে গিয়ে লাবনীকে তার পিতার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়।

রাত ২টায় বিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে লাবনী ও সবুজকে নিজপাড়া ইউপি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে তাদের দুজনকে পৃথক করে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়। সালিসে বলা হয় তাদের প্রেমে কোন বাধা নেই তবে লাবনীর ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না।

সংবাদ পেয়ে দেবীপুর গ্রামে গেলে লাবনীর বাবা হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন ৩ বছর ধরে বখাটে লম্পট সবুজ তার মেয়ে লাবনীর মক্তব ও স্কুল যাতয়াতের পথে কু-প্রস্তাব ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উক্তোত্ত্বসহ ইফটিজিং করেছে। ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য