কালাইয়ে ইরি-বোরো রোপনে ব্যস্ত কৃষকরামৃদু শৈত্য প্রবাহ, ঘন কুয়াশা আর হার কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে জয়পুরহাটের কালাইয়ে আগাম ইরি-বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা। তবে জমি চাষ থেকে শুরু করে বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ, কাটা-মাড়াইসহ সব প্রক্রিয়া শেষ করে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে ভাল বাজার মূল্য না পাওয়ায় লোকশানের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি সরকার কৃষিতে ভর্তুকি দিলে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনলে তারা লাভবান হবেন।

সরেজমিন কালাই পৌরসভাসহ উপজেলার আহম্মেদাবাদ, মাত্রাই, উদয়পুর, পুনট ও জিন্দারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে  দেখা  গেছে, অনাবাদি জমিসহ এবং আগাম আলু তোলার পর-পরই তীব্র শীত উপেক্ষা করে কৃষাণ-কৃষাণীরা ইরি-বোরো ধান রোপন শুরু করেছেন।

পৌরসভার থুপসারা মহল্লার কৃষক আব্দুল মোমিন, উপজেলার ইমামপুর গ্রামের আব্দুল জোব্বার, রাধানগরের শহিদুল, মাত্রাইয়ের আজাদুল এবং আঁওড়ার কৃষক বজু জানান, কৃষিতে উৎপাদন খরচ দিন দিন যেভাবে বাড়ছে, সে তুলনায় কৃষি পণ্যের দাম না বাড়ায় প্রতিটি ফসলেই কৃষকদের লোকশান গুণতে হচ্ছে।

তাদের দাবি সরকার কৃষিতে ভর্তুকি দিলে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখবে।
কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রেজাউল করিম জানান, চলতি মৌসুমে কালাই উপজেলায় ১৩ হাজার ২শ’ ৫৪ হেক্টর জমিতে ইরিবোরো  চাষের  লক্ষ্যমাত্রা  নির্ধারণ  করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ইরি-বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য