রাজারহাটে শৈত প্রবাহে জনজীবন দূর্বিসহকুড়িগ্রামের রাজারহাটে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির পরে হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় জন জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে। গত ৪৮ ঘন্টায় শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এবং হিমালয়ের পাদদেশ থেকে হিম হাওয়া বইতে থাকায় ছিন্নমূল মানুষরা জুবুথুবু হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড শৈতপ্রবাহের কারণে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে ট্রেনসহ বাস-ট্রাক, মটর সাইকেল ও অটোরিক্্রা চলাচল করছে। সামান্য একটু এগিয়ে গেলে হাত-পা হিম হয়ে যাচ্ছে। ঠান্ডার কারণে মানুষ কাজ কর্মে যেতে পারছে না। অফিসগুলোতে লোকজনের ভীড় কম দেখা যায়। কৃষকরা জমিতে ধানের চারা রোপন করতে পারছে না। শাক-সবজী ক্ষেত বিশেষ করে আলূ, বেগুন সিম ক্ষেতে হিম পড়ায় ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।  শুক্রবার ও শনিবার দিনের মধ্য ভাগে তাপমাত্রা কমে আসায় ঠান্ডা বেশী অনুভূত হয়। খেটে খাওয়া মানুষেরা পড়েছে চরম বিপাকে। বেশী ঠান্ডা পরায় কৃষকরা গবাদী পশুর গায়ে তুলে দিয়েছে চটের বস্তা। বৃদ্ধ ও শিশুরা সর্দ্দি-জ্বর, নিউমোনিয়া, শিশু ডায়রিয়াসহ শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আবার অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ঘরে ফিরে গেছেন বলে রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ কৃষ্ণ কুমার পাল জানিয়েছেন। এব্যাপারে রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ইনচার্জ প্রদীপ কুমার রায় জানান, ২৩জানুয়ারী শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রের্কড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রিী সেলসিয়াস।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য