জয়পুরহাটের হত্যা মামলার আসামীকে চার্জশীটে বাদ দেওয়ার অভিযোগজয়পুর হাটের কালাই উপজেলার শিবসমুদ্র গ্রামের হামেদ হত্যা মামলার আসামীদের বাদ দিয়ে চার্জশিট দেওয়ার অভিযোগে গোবিন্দগঞ্জ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থায় বুধবার এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নিহত আব্দুল হামিদ ওরফে (হামেদ) এর স্ত্রী করিমন নেছা লিখিত বক্তব্য উল্লেখ করেন, আমার স্বামী হামেদকে দিবালোকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এবং এজাহারভূক্ত ৫ জন আসামীর মধ্যে তদন্তকারী এস.আই এবাদ আলী খুনীদের সাথে যোগসাজসে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এজাহারভূক্ত ৩নং আসামী নূরনবী ওরফে মিঠু ও ৪নং আসামী পিন্টু কে মামলা থেকে অব্যহতি দিয়ে দারোগা আদালতে চার্জশিট দাখিল করায় আমিসহ পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। মামলা থেকে বাদ দেওয়ায় আসামীরা প্রাণনাশ সহ জ্বালাও পোড়াওসহ নানাবিদ ক্ষতি সাধন করার হুমকী প্রদর্শন করে আসছে। উল্লেখিত ৩ ও ৪ নং আসামীদের পুনরায় মামলার অন্তরভূক্তি করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন নিহতের দুই ভাই আঃ ছামাদ,  মোঃ হানিফ ও তার দুই কন্যা হামিদা বেগম ও তাজমিনা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ জয়পুর হাট জেলার কালাই উপজেলার শিবসমুদ্র গ্রামের আঃ হামিদ ওরফে হামেদ বাড়ীর পার্শ্বে পকুরে মাছ চাষ করেন। প্রতিদিনের ন্যায় গত ০৩/০৫/১৫ইং তারিখে সকাল ৭ টায় পুকুর পারে গেলে এক তুচ্ছু ঘটনা নিয়ে প্রতিবেশী ফরিদ, নজরু ইসলাম, নূরনবী, মিঠু, পিন্টু ও লাজিনা দের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা দিবালোকে হামেদ কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করিলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে জয়পুরহাট হাসপাতালে নেওয়ার পর শারিরিক অবস্থায়র অবনতি ঘটায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল স্থানান্তর করে। সেখানে হামেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল ৩ টায় তার মৃত হয়। এব্যাপারে নিহতের স্ত্রী করিমন নেছা বাদী হয়ে ৫জন কে আসামী করে কালাই থানায় একটি হত্যা মামলা দয়ের করে। মামলা নং-০৪।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য