ধর্ষণের নিয়ম ব্যাখ্যা করে আইএসের ফতোয়া জারি আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কোন অবস্থায়, কীভাবে দাসীদের ধর্ষণ করবে সদস্যরা, রীতিমতো ফতোয়া জারি করে জানিয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। তাদের এ ফতোয়ায় মালিকরা কে, কখন এবং কীভাবে তাদের অধীনস্থ যৌনদাসীদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করবে- তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা আছে।

মে মাসে সিরিয়ায় আইএসএর এক শীর্ষ নেতার ডেরায় তল্লাশি চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। তখনই এই ফতোয়া হাতে আসে তাদের। তাদের ফতোয়া অনুসারে, একই যৌনদাসীর সাথে পিতা এবং পুত্র উভয়েই যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে না। তবে মা এবং মেয়ে দু’জনেই একজনের যৌনদাসী হলে মালিক তাদের উভয়ের সাথেই যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবে।

এছাড়া, দাসীদের যৌথ মালিকানার ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে উভয়েই সমান সুযোগ ভোগ করবে। এক্ষেত্রে বন্দি ওই নারীকে দুইজনের যৌথ সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কিন্তু বাবা এবং ছেলে একই নারীর সঙ্গে যৌন সংসর্গ করতে পারবে না। একই  ভাবে ‘মালিক’ মা ও মেয়ে- দু’জনকে ভোগ করতে পারবে না। যৌন দাসত্বের পক্ষে অসংখ্য যুক্তি দেখানো হয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে আইএসের যৌন দাসত্বের কারাগার থেকে পালিয়ে আসার পর ২০ জন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছিল মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিও)। তারা এইচআরডব্লিওকে জানায়, কীভাবে আইএসের সদস্যরা তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করতো। প্রথমে বন্দি মেয়েদের ছেলেদের থেকে আলাদা করে ফেলা হতো। এরপর ইরাক এবং সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রদর্শন করা হতো। তারপর তাদের হয় বিক্রি করে দেয়া হতো অথবা উপহার হিসেবে প্রদান করা হতো বিভিন্ন আইএস সদস্যদের।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য