আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস যাত্রীদের দূর্ভোগের শেষ নেইমোঃ জাকির হোসেনঃ চিলাহাটি-ঢাকা ক্যান্টরম্যন্ট রুটে চলাচলকারী অন্ত-ঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রীদের হয়রানী চরম দূর্ভোগ ও বিড়ম্বনার শেষ নেই বলে জানা গেছে। এই ট্রেনটি ২০১৪ সালের  ২৮ জানুয়ারী  চিলাহাটি-ঢাকা ক্যান্টরম্যন্ট রুটে চলাচল শুরু করে। এক বছর যেতেই ট্রেনটিতে প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও কৃর্তপক্ষের অবহেলার কারনে ট্রেনটি তার সুনাম হারাতে বসেছে।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের নানা দূর্ভোগ বিড়ম্বনা ও আভিযোগের কথা। ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছাড়ার পথে টিকিটধারী যাত্রীরা ট্রেনে উঠে দেখেন বিনা টিকিটের যাত্রীরা ট্রেনে উঠে তাদের সিট দখল করে আছে। ৮০ সিটের প্রতিটি চেয়ার কোচে ১৫০ থেকে ২০০ জন সিট ও বিনা টিকিট বিহীন যাত্রীরা দাড়িয়ে আছে। তাতে টিকিটধারী যাত্রীদের চলাচল ও বসার মারাত্বক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে একাধিক যাত্রীরা জানান। নীলসাগর একটি উন্নত মানের এক্সপ্রেস ট্রেন এবং সব বগিগুলো  উন্নত ও সবগুলি চেয়ার কোচ। এই সব আধুনিক ও উন্নত বগীর টয়লেটে পানি থাকে না।

অপরদিকে গাড়ীর ভিতরে টিটি, এ্যাটেন্ডেন্ট, জিআরপি ও নিরাপত্তা বাহিনীরা টিকিট কাটা যাত্রীদের সুযোগ সুবিধা না দেখে বিনা টিকিটে ভ্রমন করা যাত্রীদের নিকট থেকে উৎকোচ গ্রহন করা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে। তারা ঢাকা থেকে নাটোর-সান্তাহার-জয়পুরহাট-সৈয়দপুর-নীলফামারী-চিলাহাটি পর্যন্ত ২০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্র্যন্ত  নিয়ে অবৈধ ভাবে যাত্রীদের ভ্রমন করার সুযোগ করে দেন। ট্রেনটি চালুর কয়েক মাস ভাল চললেও নীলসাগর ট্রেনটি এখন মফিজ ট্রেন নামে পরিচিত। এ ব্যপারে ডি টি ও পাকশির সঙ্গে  মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তারা জানান, ট্রেনের সমস্যা সম্পর্কে আমরা জানি, তবে এগুলো দেখার দায়িত্ব বাণিজ্যিক কর্মকর্তার, তারপারও আমি ব্যাপারগুলো দেখবো।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য