PHOTO-01গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ অগ্রণী ব্যাংক, গাইবান্ধা প্রধান শাখার সিসি ঋণ পরিশোধ করা সত্ত্বেও ব্যাংক কর্তৃক পাওনা টাকার ভুল স্টেটমেন্ট প্রদানের কারণে গাইবান্ধা পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী নুরুন্নাহার বেগম নির্বাচন করতে ব্যর্থ হন। অথচ এবার সংরক্ষিত মহিলা আসনে তার নির্বাচিত হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা ছিল। এব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে তার নির্বাচনি ব্যয়ের ক্ষতি পূরণ এবং অগ্রণী ব্যাংক গাইবান্ধা প্রধান শাখার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ওই প্রার্থী।

মঙ্গলবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে লিখিত অভিযোগে গাইবান্ধা পৌরসভার ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী নুরুন্নাহার বেগম জানান, অগ্রণী ব্যাংক, গাইবান্ধা শাখায় পূর্ব থেকে তার একটি সিসি লোন রয়েছে যার (পুরাতন নং ১৬১)। এব্যাপারে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের সাথে তিনি আলাপ আলোচনা করে নির্বাচনের প্রার্থীতার জন্য তিনি তার কাছে পুরাতন সিসি লোন পরিশোধের একটি স্টেটমেন্টের জন্য আবেদন করেন। তার চাহিদা মোতাবেক অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক তাকে স্টেটমেন্ট প্রদান করে তার বকেয়া পাওনা ৯ লাখ ১ হাজার ৪৭১ টাকা পরিশোধ করলে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন উল্লেখ করেন।

সে মোতাবেক ৯ জুলাই ২০১৫ তারিখে ব্যাংকের উক্ত পাওনা টাকা পরিশোধ করা হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ১৬১ নং একাউন্ট নম্বরটি ক্লোজড করে দেন। এরপর ব্যাংক থেকে ১৮৭২ নং একটি নতুন চলতি হিসাব  খুলে নুরুন্নাহার বেগমকে ব্যাংকের গাইবান্ধা জোনাল অফিসের অনুমোদন সাপেক্ষে ৭ লাখ টাকার একটি নতুন সিসি লোন চলতি বছরের ৩১ আগষ্টে মঞ্জুর করে যথারীতি একটি চেক বই প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল করলে অজ্ঞাত কারণে অগ্রণী ব্যাংক গাইবান্ধা প্রধান শাখার ব্যবস্থাপক নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে পূর্বে পরিশোধকৃত ১৬১ নং একাউন্টে ৩ লাখ ৪ হাজার ৬১৯ টাকা ৪৫ পয়সা পাওনা রয়েছে বলে চিঠি দেয়। ফলে রিটার্নিং অফিসার ব্যাংক ঋণ পাওনা থাকার দায়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে। এব্যাপারে আপিল করা হলেও আপিলও খারিজ করে দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নুরুন্নাহার বেগমের স্বামী আব্দুল জলিল সরকার, জিপু বেগম, গোলাপী বেগম।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য