টুইটার, স্কাইপে ভাইবার খোলায় হাপ ছেড়ে বাঁচল দিনাজপুরের অনলাইন ব্যবহারকারিরাসামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার, স্কাইপেসহ বন্ধ থাকা সব অ্যাপস গুলো ১৪ ডিসেম্বর সোমবার খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে হাপ ছেড়ে বাঁচল দিনাজপুরের এসব আ্যাপস ব্যবহারকারি এবং অনলাইন ব্যবসায়ীরা। এই অ্যাপস গুলো বন্ধ থাকার ফলে তারা সামাজিক এবং ব্যবসায়ীক ভাবে চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন।

স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সার্ভিস (এসএনএস) প্রাত্যহিক জীবনে আনেক ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে বলে মনে করেন ৭৫ দশমিক ৬ শতাংশ মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। আর ৬ দশমিক ৮ শতাংশ ব্যবহারকারীর মতে এসএনএস প্রাত্যহিক জীবনের জন্য নেতিবাচক।

বিকেলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, বন্ধ থাকা সামাজিক যোগাযোগের সব মাধ্যম খুলে দেওয়ার জন্য বিটিআরসি’কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরে বিটিআরসি সব মোবাইল অপারেটর ও ইন্টারনেট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ নির্দেশনা দেয়। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, এখন থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ বা খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে বিটিআরসি।

১৮ নভেম্বর থেকে বিটিআরসি দুটি আলাদা নির্দেশনায় ফেসবুক-ভাইবার-হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের কয়েকটি মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল বলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা ওই সময় জানিয়েছিলেন। ওই দিন দুপুরে প্রথম নির্দেশনায় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করার নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। পরে আরেকটি নির্দেশনায় লাইন, ট্যাংগো, হ্যাংআউটসহ আরও কয়েকটি মাধ্যম বন্ধের কথা জানানো হয়।

২২ দিন পর ১০ ডিসেম্বর খুলে দেওয়া হয় ফেসবুক। ওই দিন বলা হয়েছিল, ‘জননিরাপত্তার জন্য হুমকির মাত্রা কমে আসা’ এবং ফেসবুকের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনার ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক খুলে দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি তরুণ সমাজের ‘প্রয়োজন ও চাহিদার’ কথাও বিবেচনা করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্কতার কারণেই ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপসহ ইন্টারনেটে যোগাযোগের অন্য মাধ্যমগুলো বন্ধ থাকছে।

রোববার এক নির্দেশনায় টুইটার, স্কাইপে ও ইমো বন্ধ করার নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। টুইটার, স্কাইপে ও ইমো বন্ধের একদিন পরই আজ আবার এগুলো খুলে দেওয়া হলো।

সতর্কবার্তাঃ-
উক্ত বিষয়ে রিপোর্টটির কোন অংশ সংযোজন, বিয়োজন, সংশোধন, পরিবর্তন করে ব্যবহার বা অনুমতি ব্যতিত এর কোন কন্টেন্ট ব্যবহার আইনগত অপরাধ যে কোন ধরনের কপি-পেষ্ট কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচার যোগ্য তবে রিপোর্টি ফেসবুকে সেয়ার করতে কোন বাধা নেই
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য