২. প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন সৌদি নারীরাআন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের ইতিহাসে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণে শনিবার প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো দেশটির নারীরা ভোট দিয়েছেন। দেশটির এই পৌর নির্বাচনে প্রথমবারের মতো নারীরা প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। চলছে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। এ নির্বাচনকে সৌদি আরবে নারীদের প্রতি বিধিনিষেধ শিথিল করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের যে সমস্ত দেশে নারীরা কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে বসবাস করেন সৌদি আরবের নারীরা তাদের অন্যতম।

বিবিসি বলছে, যদিও কঠোর শরিয়া আইনে পরিচালিত দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালনার অধিকার নেই; কিন্তু এরপরও এই নির্বাচনে ৫,৯৩৮ জন পুরুষের পাশাপাশি ৯৭৮ জন নারীও বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন। সম্পূর্ণ ইসলামি অনুশাসন মেনে চলা সৌদি আরব হচ্ছে সর্বশেষ দেশ যেখানে কেবলমাত্র পুরুষদের ভোটাধিকার ছিল। দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ এবং জনসম্মুখে অবশ্যই নারীদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত আবৃত করে চলাফেরা করতে হয়।দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার নারী ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। যদিও এই সংখ্যা নিবন্ধিত পুরুষ ভোটারদের তুলনায় অনেক কম। দেশটিতে পৌর নির্বাচনে ১০ লাখ ৩৫ হাজার পুরুষ ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

খবরে জানানো হয়, সৌদি আরবের পৌরসভা পরিষদের শনিবারের নির্বাচনে ৯৭৮ জন নিবন্ধিত নারী প্রার্থী লড়ছেন। অপরদিকে এ নির্বাচনে প্রায় ছয় হাজার পুরুষ প্রার্থী লড়াই করছেন।। নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের প্রচার চালাতে হয়েছে পর্দার আড়াল থেকে বা পুরুষ প্রতিনিধির মাধ্যমে। নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানায়, ভোটার হিসেবে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার নারী নিবন্ধিত হয়েছেন। পুরুষ ভোটারের সংখ্যার তুলনায় তা খুব কম। পুরুষ ভোটার ১৩ লাখ ৫০ হাজার।সৌদি আরবে নির্বাচন অনুষ্ঠান একটি বিরল ঘটনা। শনিবারের এই নির্বাচন দেশটির ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘটনা। ১৯৬৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ৪০ বছর দেশটিতে কোনো ধরনের নির্বাচন হয়নি।সৌদি আরবে শনিবার পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে।

আর এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো দেশটির নারীরা ভোট দিতে যাচ্ছেন।দেশটির এই পৌর নির্বাচনে প্রথমবারের মতো নারীরা প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।বিবিসি বলছে, যদিও কঠোর শরিয়া আইনে পরিচালিত দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালনার অধিকার নেই; কিন্তু এরপরও এই নির্বাচনে ৫,৯৩৮ জন পুরুষের পাশাপাশি ৯৭৮ জন নারীও বিভিন্ন পদে প্রার্থী হয়েছেন।দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার নারী ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। যদিও এই সংখ্যা নিবন্ধিত পুরুষ ভোটারদের তুলনায় অনেক কম।দেশটিতে পৌর নির্বাচনে ১০ লাখ ৩৫ হাজার পুরুষ ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

সালমা আল-রাশেদ নামে একজন নারী দেশটিতে প্রথম নারী ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। বিবিসিকে তিনি বলেন, “এটি সত্যিই ভালো একটি ব্যাপার। পরিবর্তন অনেক বড় বিষয়। কিন্তু নির্বাচন সেই পথ যার মধ্যদিয়ে আমরা যে সত্যিকার অর্থেই প্রতিনিধিত্ব করছি তা নিশ্চিত হবে।”সৌদি আরবে নির্বাচন অনুষ্ঠান একটি বিরল ঘটনা। শনিবারের এই নির্বাচন দেশটির ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘটনা।১৯৬৫ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ৪০ বছর দেশটিতে কোনো ধরনের নির্বাচন হয়নি।দেশটিতে শনিবারের এই পৌর নির্বাচনে বিভিন্ন পদে মোট ২১০০টি আসন রয়েছে। এর বাইরে বাদশার মনোনীত ব্যক্তিদের দিয়ে পূরণ করা হবে ১০৫০টি আসন।

এরআগে চলতি বছরের ২২ অগাস্ট থেকে শুরু করে ২১ দিন ধরে সৌদিতে নারীদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া চলে।দেশটির প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহর নারীদের ভোটাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জানুয়ারিতে বাদশা আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার আগে দেশটির সর্বোচ্চ উপদেষ্টা পর্ষদ শুরা কাউন্সিলে ৩০ জন নারীকে নিয়োগ দিয়ে যান।এবারের পৌর নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রয়াত বাদশার সেই ইচ্ছার বাস্তবায়নই হচ্ছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য