৪. অপহৃত হওয়ার পর মুক্তি পেলেন গাদ্দাফির ছেলেআন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে হান্নিবাল।নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে বিবিসি বলছে, লেবাননের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হানিবলকে অপহরণ করার পর মুক্তি দিয়েছে। লেবাননের একটি টেলিভিশনে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ১৯৭৮ সালে লেবাননের বিখ্যাত শিয়া আলেম মুসা আল-সদরের নিখোঁজের ব্যাপারে আরও তথ্যের আবেদন জানিয়েছেন গাদ্দাফি পুত্র হান্নিবাল। ওই নেতার নিখোঁজের ব্যাপারে গাদ্দাফির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু গাদ্দাফি এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছেন।

লেবাননের একটি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একজন বন্দি ব্যবসায়ীকে ১৯৭৮ সালে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বিশিষ্ট লেবানিজ শিয়া ধর্মীয় নেতা মুসা আল-সদর সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লেবানন পুলিশ বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছে, হান্নিবালকে বালবেক শহরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সে সেখান থেকে বৈরুতের দিকে যাচ্ছে। হান্নিবাল জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন।

বৈরুত থেকে হানিবলকে অপহরণ করার পর বালবেক শহরে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৪০ বছর বয়সী সাবেক ক্রীড়াবিদকে ২০১২ সালে ওমান আশ্রয় দেয়।২০১১ সালে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে হানিবলের পিতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও পরবর্তী সময়ে বিদ্রোহীদের হাতে নিহত হন।আল-সদর বিংশ শতাব্দীর অন্যতম বিশিষ্ট শিয়া ধর্মীয় নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৭৮ সালে লিবিয়া সফরকালে আরো দুইসঙ্গীসহ নিখোঁজ হন। আল-সদরের নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা মুয়াম্মার গাদ্দাফি অস্বীকার করলেও অনেকেই বিশ্বাস করেন এর পেছনে সাবেক এই একনায়কের হাত ছিল।এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক দীর্ঘদিন তিক্ত ছিল।অবশ্য হানিবল কতদিন ধরে লেবাননে অবস্থান করছেন তা জানা সম্ভব হয়নি।মা সাফিয়া ও বোন আয়েশার সঙ্গে হানিবলও ওমানে গৃহবন্দি ছিলেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য