কান্দাহার বিমানবন্দরে তালেবান হানায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭০আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ কান্দাহার বিমানবন্দরে তালেবান হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (০৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এর আগে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনায় ৩৭ জন নিহত ও ৩৫ জন আহত হওয়ার খবর জানায়।

দেশটির হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। তালেবান জঙ্গিদের হাতে তাদের প্রাণ গেছে।

মঙ্গলবার রাতে আফগানিস্তানের কান্দাহারে অবস্থিত কান্দাহার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আবাসিক এলাকায় ও সেনাঘাঁটিতে হামলা চালায় তালেবান জঙ্গিরা। আফগান, মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীর ঘাঁটি হিসেবে এই বিমানবন্দর ব্যবহার হয়। এ সময় জঙ্গিরা অনেককে বন্দি করে।

বুধবার (০৯ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে আফগান কর্তৃপক্ষ যদিও দাবি করে, জঙ্গি হামলার অবসান ঘটেছে, তবে প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, এদিন স্থানীয় সময় বিকাল পর্যন্ত অন্তত তিন জঙ্গি ১০ জনকে বন্দি করে রেখেছে।
অযোধ্যার দাবি মুসলিমরা ছেড়ে দিক, এটা রামের জন্মভূমি: বিনয় কাটিয়ার

বিজেপি’র সিনিয়র নেতা এবং রাজ্যসভার সদস্য বিনয় কাটিয়ার রাম মন্দির নির্মাণের প্রসঙ্গ তুলে অযোধ্যা থেকে মুসলিমদের দাবি প্রত্যাহার করে নিতে বলছেন। এক বিবৃতিতে কাটিয়ার বলছেন, ‘এটা প্রমাণ হয়েছে, অযোধ্যাতেই রামের জন্মভূমি, মুসলিমরা এর ওপর থেকে দাবি ছেড়ে দিক।’

বিনয় কাটিয়ার বলেছেন, রাম মন্দির নির্মাণে তৃতীয় বিকল্প হিসেবে সরকার সংসদে আইনও তৈরি করতে পারে। তিনি অযোধ্যার পাশাপাশি, কাশীর জ্ঞানবাপি মসজিদ এবং মথুরার ঈদগাহকেও ‘খালি’ করে দেয়ার কথা বলেছেন।

উত্তর প্রদেশের ফাররুকাবাদে এক অনুষ্ঠানে বিনয় কাটিয়ার বলেন, ‘আমাদের তিনটি স্থান চাই। রাম জন্মভূমি, বাবা বিশ্বনাথের কাশীতে জ্ঞানব্যাপী এবং মথুরার ঈদগাহের স্থান। এখনো অযোধ্যায় মন্দির তৈরি হয়নি। যদি সেখানে গ্রান্ড মন্দির হতো তাহলে আমরা দাবি করতাম না। জ্ঞানব্যাপীর যে স্থানে নামাজ হচ্ছে সেটি খালি করতে হবে। ওখানে নামাজ পড়া উচিত নয়। মথুরার কৃষ্ণ জন্মভূমিতে ঈদগাহ নাম দেয়া হয়েছে, এটা ঠিক নয়। আদালতও কৃষ্ণ জন্মভূমি বলে মনে করেছে। এবার এই ঈদগাহ ময়দান খালি করতে হবে।’

রাম মন্দির নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মন্দির নির্মাণের জন্য তিনটি রাস্তা রয়েছে, প্রথমত সংলাপ, দ্বিতীয়ত আদালত এবং তৃতীয়ত সংসদ। এখন মুসলমানদের মেনে নেয়া উচিত এখানে মন্দির ছিল। আদালতও তাই মনে করেছে। এ নিয়ে মুসলিমদের আন্দোলন বন্ধ করে মন্দির নির্মাণে সহযোগিতা করা উচিত। এর চেয়ে ভালো ভ্রাতৃত্ব আর কিছু হতে পারে না।’

কাটিয়ার সংসদে আইন তৈরি করা প্রসঙ্গে বলেন, সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় আমরা সংখ্যালঘু কিন্তু তা সত্ত্বেও যদি আমাদের মনে হয় আদালতের মাধ্যমে আমাদের কাজ মিটবে না তাহলে আমরা আইনও তৈরি করতে পারি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য