জিরার বস্তা আটকসৈয়দপুর থেকে চলাচলকারী ট্রেনগুলো এখন যাত্রা সেবার দিকে খেয়াল না দিয়ে ঝুকে পড়েছে চোরাচালানীদের সহযোগিতা করতে। এ শহর থেকে অতীতে খুলনা মেইল এবং তিতুমীর ট্রেনে চোরা চালানীরা তাদের অবৈধ পথে (চোরা পথে) ভারতীয় জিরা, চিনি, কসমেটিক, গোল মরিচ, লং, এলাচসহ আরও বিভিন্ন প্রকার মাল মসল্যা নিয়ে আসতো, নীল সমাচার পত্রিকায় সে সময়ে এ ব্যাপারে প্রথম খবর প্রকাশ পেলে ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিতুমীর ট্রেনে  অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৭ জনকে গ্রেফতার করেন।

পরবর্তীতে খুলনা মেইল ও তিতুমীর ট্রেনে কিছু দিনের জন্য চোরাচালানী বন্ধ থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে আবার লক্ষ্য করা যায় এখান থেকে চলাচলকারী প্রায় সবকটি ট্রেনে চলছে চোরা কারবারী চোরাচালান কাজ। ট্রেনগুলোতে দায়িত্বে থাকা কর্তাদের সাথে চোরা কারবারীদের সখ্যতা এবং ম্যানেজ সম্পর্ক থাকায় বর্তমানে ট্রেন পথে দেশের অন্যান্য স্থান থেকে সৈয়দপুর শহরে প্রবেশ করছে, হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাজার পাশাপাশি মসল্যা জাতীয় পণ্য। প্রায়ই দেখা যায় দিনে-রাতে ট্রেনগুলোতে অভিযান চালায় র্যা ব, পুলিশ ও ডিবি। ধরাও পড়ছে অনেক চোরা কারবারী। জেল জরিমানাও করা হচ্ছে। তবে এতো কিছুর পরও ট্রেনগুলোতে কোনক্রমেই বন্ধ হচ্ছে না

এ সকল অবৈধ মালামাল বহন। সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে যখন ট্রেনগুলো থামে তখন চোরা কারবারীদের দৌড়াত্ম চোখে পড়ার মতো। নারী-পুরুষ, প্রতিবন্ধী, হিজরাসহ ভদ্রবেশী কতিপয় কালোবাজারী ব্যক্তি এর সাথে জড়িত। প্রকাশ্য রেলওয়ে থানার সামন দিয়ে তাদের স্থান অতিক্রম করে বেঙ্গল থানার পাশ দিয়ে রিক্সা, ভ্যান, পায়ে হেঁটে এদের পণ্যসহ যাতায়াত থাকলেও কোন ব্যবস্থা নিতে অপরাগ থানা পুলিশ। ফলে দিন দিন চোরা কারবারীর সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে এ সকল পণ্য ব্যবসায়ীর সংখ্যা। বর্তমানে জিরা, চিনি, কসমেটিকসহ অন্যান্য মসলার মহাজন সেজে কোটিপতি হয়েছে মুন্না, কাঞ্চন, ইসতিয়াক, মোক্তার, আব্বাসসহ অনেকে। চোরা পথে এ সকল পণ্য বহন বন্ধ এবং এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশ সুপারের দৃষ্টি কামনা করেছেন শহরের সৎ  ব্যবসায়ীরা।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য