News pic (Chingri Fish)নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আধুনিক ও প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষন গ্রহণ শেষে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে গলদা চিংড়ি।

আবহাওয়ার দিক থেকে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ কৃষি ফসল উৎপাদনে উর্বর ভূমি আর মৎস্য চাষে উপযোগী। ইতোমধ্যেই উপজেলায় মৎস্য প্রশিক্ষন নিয়ে শতশত বেকার শিক্ষিত নারী-পুরুষ মৎস্য চাষেই খুঁজে পেয়েছে কর্মসংস্থান।

যারা দিনের পর দিন বেকারত্ব জীবনের অভিশাপ নিয়ে পরিবার তথা সমাজে বহন করত গ্লানি আবার অনেকেই বাবার উপর্জিত অর্থ ব্যয় করে সর্বস্ব অর্থ ব্যবসায় খাটিয়ে হারিয়েছে মূল পূঁজি।

এখন ওই সমস্ত যুবকেরা শুরু করেছে মৎস্য চাষ। মৎস্য চাষের সাথে জড়িত বিনোদনগর ইউনিয়নের বিনোদনগর গ্রামের ছেলে আব্দুল্লাহ্। ছোট থেকেই মৎস্য চাষ করার স্বপ্ন ছিল তার।

পরিণত বয়সে আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষন নিয়ে এলাকায় দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মৎস্য চাষে দেখছে সোনালী স্বপ্ন। নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে নিজের ভাগ্যেরই পরিবর্তন ঘটাচ্ছে না পাশাপাশি এলাকার মৎস্য শ্রমিকদের কাজের সুযোগ সৃষ্টি শুরু করছেন তিনি।

এ বিষয়ে মৎস্য চাষী আব্দুল্লাহ্র সাথে যোগাযোগ করা হলে সে জানান- মৎস্য চাষ করে এখন সে স্বাবলম্বী। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে সে শুরু করেছে ৫ একর মজা পুকুরে গলদা চিংড়ির চাষ।

সে জানায়- আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এই এলাকা থেকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে গলদা চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে উপার্জন করা যাবে বৈদেশিক মুদ্রা।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান- আমি নিজে তার প্রকল্প পরিদর্শন করেছি। এই প্রথমবারের মত আব্দুল্লাহ চিংড়ি চাষের প্রকল্প হাতে নিয়েছে, আমরা সার্বক্ষনিকভাবে তদারকিসহ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

তার দেখাদেখি আরও অনেকেই গলদা চিংড়ি চাষ করার কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য