2নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটলো রোববার দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দিনাজপুরে পৌছার পর। এতথ্য নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন। গত ২ ডিসেম্বর বুধবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ খবরকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরে ব্যপক জল্পনা কল্পনা করা হয়। কিন্তু মেয়র জাহাঙ্গীর আলম কোন চিঠি পাননি বলে মিডিয়াকে জানান।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কাছে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ এসে পৌছায়। গত ২ ডিসেম্বর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ক্ষমতার অপব্যহৃর ও বিধি মালা লঙ্ঘন করে একক ক্ষমতাবলে বিভিন্ন ব্যক্তির করের টাকা কমিয়ে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম পৌরসভার আর্থিক ক্ষতি করেছেন। এছাড়া চাহিদা না থাকা সত্বেও একক ক্ষমতাবলে তিনি কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন।

দিনাজপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন জানান, সাময়িক বরখাস্তের কাজপত্রের কার্যক্রম চলছে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমকে অবগত করা হবে এবং যে কোন সময় সংশ্লিষ্ট কাউকে দায়িত্ব  অর্পন করা হবে। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে স্থানীয় সরকারের একটি সূত্র দাবী করেছে। তবে এ খবর লেখা অবধি (সন্ধ্যা পৌনে ৭টা) মেয়র জাহাঙ্গীর আলম সাময়িক বরখাস্তের আনুষ্ঠানিক কোন বার্তা পাননি বলে জানান।

তবে তিনি বলেন, পৌরবাসীর করের ট্যাক্স নিয়ম অনুয়ায়ী কমানো হয়েছে এবং নিয়ম বহিঃভূত ভাবে কোন কর্মচারী নিয়োগ করা হয়নি। পৌরবাসীর করের ট্যাক্স কমানোর অভিযোগে আমার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এতে আমি হতবম্ব হয়েছি। উল্লেখ্য, পৌর নির্বাচনের শেষ দিনে প্রজ্ঞাপন জারী এবং যাচাই বাছাইয়ের দিনে জেলা প্রশাসকের কাছে সাময়িক বরখাস্তের কাগজপত্র এলো। সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি।

সংবাদাতাঃ শাহারিয়ার হিরুঃ সতর্কবার্তাঃ
উক্ত বিষয়ে রিপোর্টটির কোন অংশ সংযোজন, বিয়োজন, সংশোধন, পরিবর্তন করে ব্যবহার বা অনুমতি ব্যতিত এর কোন কন্টেন্ট ব্যবহার আইনগত অপরাধ যে কোন ধরনের কপি-পেষ্ট কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচার যোগ্য তবে রিপোর্টি ফেসবুকে সেয়ার করতে কোন বাধা নেই
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য