শিশু শ্রমিকডেক্স রিপোর্টঃ পার্বতীপুরে ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিশু শ্রমিকদের সংখ্যা দিনদিন উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে উপজেলার সর্বত্র শিশু শ্রম আইন চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। যে বয়সে এসব শিশুদের বইখাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, সে বয়সে এসকল শিশুরা পেটের দায়ে দু’বেলা খাবারের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ৭ বছর হতে ১৫ বয়সের এসব শিশুরা হোটেল রেস্তোরায় মেচিয়ার, চায়ের দোকানে, ইট ভাংগার কাজে, টেম্পু বা বাসের হেলপারী, রিক্সা-ভ্যানগাড়ী,, বাদাম বিক্রি, কৃষকের বাড়ীতে গরু ছাগল চরানোসহ বিভিন্ন বেসরকারী শিল্প-কারখানায় কাজ করতে দেখা যায়্।
শিশু শ্রমিক2
কয়েকজন শিশু শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার যশাই বাজারের একটি হোটেলে মেচিয়ার হিসাবে নিয়োজিত মোমিনপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের রকিব উদ্দিনের ছেলে সুমন জানান. দরিদ্র বাবা মায়ের সংসারে অধিক ভাই বোনের কারনে পেট ভরে খেতে না পেয়ে বাধ্য হয়ে হোটেলে কাজ করছি। এজন্যই কাজ বাবা লেখপাড়া করাতে পারছেন না।

পৌরসভার হলদীবাড়ী রেলগেটে মিলনের মোটরসাইকেল গ্যারেজে পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চকমুশী গ্রামের হেলাল উদ্দীনের ছেলে মোশারফ হোসেন মুন্না (১২) জানান সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যারেজে কাজ করে ৬০ টাকা দিন পায়। শুধুমাত্র পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যেই প্রায় আড়াই হাজার শিশু বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ন পেশায় জড়িত। এসব ঝুঁকিপূর্ন পেশায় জড়িত শিশু শ্রমিকরা কেউ এসেছে সংসারের অভাবের তড়নায়, আবার কেউ পারিবারিক কলহের শিকার হয়ে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য