Lalmonirhat mapলালমনিরহাটে ভুয়া ওয়ারিশ সনদ পত্র নিয়ে জমি দখলের পায়তারা। এব্যাপারে সোহরাব আলী বাদী হয়ে লালমনিরহাট বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করেন।অভিযোগে জানা যায়, লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার পূর্ব দৈলজোড় গ্রামের মোঃ সোহরাব আলী গত ১৯৬৮ সালে ২৮৪০ নং দলিল মুলে মৃতঃ শশীরাম বর্মনের নিকট নিকট ক্রয় করে। কিন্তু গত ০১/০৯/১৫ইং তারিখে বানী কান্ত বর্মন বাদীর দখলীয় জমি ছেড়ে দিতে বললে বাদী আশ্চর্য হয় এবং এর প্রতিবাদ করে।

শ্রী রমনী কান্ড বর্মন ও শ্রী বানী কান্ড বর্মন ৫নং সাপ্টীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে মৃত: শশীরাম বর্মনের ভাতিজা দেখিয়ে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট গ্রহণ করে। তাদের এ সার্টিফিকেটটি মিথ্যা ও জাল কারণ ইতিপূর্বে বানী কান্ড আদিতমারী সহকারী জজ আদালতের মামলা নং-৭২/১০ এ তারা চার ভাই বলে উল্লেখ্য করেন, সর্বানন্দ, ভূপেন চন্দ্র, বানী কান্ড ও রমনী কান্ড, পিতা-বিশেশ্বর বর্মন বলে উল্লেখ্য করে। অথচ ওয়ারিশ সনদ পত্রে দুজন ওয়ারিশের নাম উল্লেখ্য করা কি ভুয়া বা জাল নয়। সরেজমিনে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আদিতমারী উপজেলার পূর্ব দৈলজোড় মৌজার সিএস খতিয়ান- ৫৫০, এস.এ খতিয়ান-৫৬৮তে দেখা যায়, বানী কান্ড ও রমনী কান্ডর পিতা বিশ্বেশ্বর বর্মনের পিতার নাম কালীকুমার বর্মন পক্ষান্তরে উক্ত মৌজার এস.এ খতিয়ান ৬৬২তে দেখা যায়, শশীরাম বর্মনের পিতার নাম সূর্য নারায়ন বর্মন। পর্যালোচনা করে দেখা যায়, যদি বানী কান্ত ও রমনী কান্ড যদি শশীরাম বর্মনের ভাতিজা হতো তবে বিশ্বেশ্বর বর্মনের পিতার নাম সূর্য নারায়ন হতো।

এব্যাপারে বানী কান্ডকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কথার একপর্যায়ে বলেন, হিন্দুর জমি হিন্দু পাবে এটাই নিয়ম। আবার বলেন, আমি এই জমিটি ওনার (সোহরাব আলী) কাছ থেকে ভিক্ষা হিসেবে চেয়েছি কিন্তু ওনি দেননি।

বাদী সোহবার আলী জানান, আমি টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। আমি আমার ন্যায্য জমি ফেরত চাই।

ওয়ারিশ সনদ পত্রের বিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুস সোহরাব জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বারের তদন্ত ও সুপারিশের প্রেক্ষিতে ওয়ারিশ সনদ পত্র প্রদান করেছেন। এব্যাপারে তার তিনি আর কিছুই বলতে পারবেন না।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য