Birol_25_11_2015(1)নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ বিরলে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন কোন্দলের জের ধরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ইমরান সোহাগ নামে এক ছাত্রলীগ নেতাসহ ২ জন আহত হয়েছেন। আহত সোহাগকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিরল উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বয়াক (১) মিঠুন দাস স্বাক্ষরিত এক পত্রে আগামী ২৭ নভেম্বর দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের বর্ধিত সভার আহ্বান করে। অপর যুগ্ম আহ্বায়ক (২) তোজাম্মেল হক বর্ধিত সভার পত্র না পাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে বিরল বাজারে মিঠুন দাস সমর্থক ও তোজাম্মেল হক সমর্থকের মাঝে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়।
[ads1]
এরই জের ধরে পরদিন বুধবার দুপুরে আহ্বায়ক নুর জামান ও যুগ্ম আহ্বায়ক মিঠুন দাসের সমর্থকরা অপর যুগ্ম আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক সমর্থকরা মুখোমুখী হলে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে বিরল রেলগেট সংলগ্ন স’মিলের পাশে উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইমরান সোহাগ ও ছাত্রলীগ কর্মী বেলাল প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন।

স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসলে উভয় পক্ষ পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত ইমরান সোহাগকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে বিরল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানেও তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে সোহাগের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

এদিকে ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নুর জামান জানান, যুগ্ম আহ্বায়ক (২) তোজাম্মেল হক বর্ধিত সভার চিঠি না পাওয়ায় মঙ্গলবার রাতে যুগ্ম আহ্বায়ক (১) মিঠুন দাসকে ডিম খাওয়ার কথা বলে বাজারে ডেকে নিয়ে তোজাম্মেল হকের সর্মথক সোহাগ ও সুজন এলোপাথারীভাবে মিঠুন দাসকে মারপিট করে। মিঠুনকে মারপিটের কারণ জানতে গেলে সোহাগ ও বেলাল প্রথমে আমাদের উপর চড়াও হলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য