Dhanবিগত আমন ফসল বন্যায় বিনষ্ট হওয়ায় ইরি-বোরোর প্রতি এবার বেশি ভরসা কৃষকের।একদিকে ঘরের ভাত নেই,অন্য দিকে ধারদেনা পরিশোধে আগামীতে ভালো ফলনশীল ধান উৎপাদনে সচেষ্ট কৃষককুল। আর এলক্ষ্যে ইরিবোরো বীজতলা তৈরি ও ভালো বীজ সংগ্রহে সদা ব্যস্ত তারা। এমন সময়ই গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা সহ আশেপাশের এলাকাগুলোতে হাইব্রিড ধানবীজ কোম্পানী জে¦ার প্রচারনা চালাতে ব্যস্ত।

ফলন হোক আর না হোক উন্নত জাতের নানা বাহারী কথা লিখে রং বেরং এর প্যাকেটের ছবি সম্বলিত ব্যানার টেনে দেয়া হচ্ছে পল্লীর বাজার গুলোতে। পল্লীর পথ প্রান্তর দিনরাত মাইকিং করে এসব হাইব্রিড ধান বীজের প্রচারনা চালানো হচ্ছে। আর সবচেয়ে এ কাজে বেশি পারদর্শিতার স্বাক্ষর রাখছেন মফস্বল শহরের কিংবা পল্লীর বীজ-সার ব্যাবসায়ীরা।

তারা কোন চিন্তা না করেই নিজে অধিক মুনাফা লাভের আশায় কৃষকদের বেশি ফলনের প্রলোভন দেখিয়ে নি¤œ মানের হাইব্রিড বীজ বিক্রি করছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে প্রতিটি ব্যাবসায়ী অধিক হারে এসব হাইব্রিড ধানবীজ মজুদ করেছে। এত প্যাকেট বিক্রি করতে পারলে এই সুবিধা, বিদেশ ভ্রমনের সুযোগ সহ নানা লাভের আশায় কৃষকদের ভুলিয়ে এসব নিম্ন মানের বীজ হাতে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বাজারে দেখা গেছে , হাইব্রিড, হিরা, এসিআই, পারা, স্বর্ণা সহ নানা ধরনের ধানবীজ দেদার সংগ্রহ করছেন কৃষকরা। সচেতন কৃষকরা জানান, কৃষকদের বিরাট একটা অংশ অসচেতন হওয়ায় এমন সুযোগ পাচ্ছে মুনাফালোভীরা।

ইতিপূর্বের বছর গুলোতে বিভিন্ন হাইব্রিড ধানবীজ সংগ্রহ করে ঠকেছেন তারা। ফলন কম ও ধানের চিটার পরিমান ছিলো বেশি। সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিলো, কোন ধান গাছ ফুলে পাক ধরেছে, আবার কোনটি কেবল মাত্র থোড় এসেছে। এতে চরম ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান কৃষকরা। উপজেলার বোনারপাড়া এলাকার কৃসক রফিকুল ইসলাম জানান, বিগত দিনে হাইব্রিডের আবাদ করে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি একই এলাকার কৃষক ইয়াকুব আলী বলেন, আগে কৃষক নিজের বীজ নিজেই ঘরে সংগ্রহ করত।

এখন আবহাওয়া বিরুপ আর সংগ্রহের নানা জটিলতায় কৃষকরা ক্রয়কৃত বীজের উপর নির্ভরশীল হয়ে আশাতীত ফলন পায় না বলে জানালেন ময়মন্তপুর গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন।

এ ব্যাপারে কথা হলে উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ র্কমর্কতা এটিএম হামিম আশরাফ জানান, কৃষকরা যাতে বালো বীজ পায় সে বিষয়ে খেয়াল রাখছি।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য