kashi picস্টাফ রিপোর্টার ।। দিনাজপুর নাট্য সমিতি আয়োজিত শত বর্ষ পূর্তি ও একবিংশ নাট্যোউৎসবে দিনাজপুর বৈকালী নাট্য গোষ্ঠীর নাটক এখন দুঃসময় মঞ্চস্থ হল গত ৯ নভেম্বর সোমবার রাতে।

“ঐতিহ্যের ধারায় মানবতা জাগ্রত হোক নাটকের মঞ্চে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুর নাট্যসমিতির আয়োজিত শতবর্ষপূর্তি ও একবিংশ নাট্যোৎসবে ১০তম নাটক বৈকালী নাট্যগোষ্ঠীর ৫২তম প্রযোজনা আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত এবং জাহাঙ্গীর পোদ্দার হিরু পরিচালিত এখন দুঃসময় নাটকটি দিনাজপুরের দর্শক পিপাসুদের হৃদয় স্পর্শ করেছে।

“বৈকালী নাট্যগোষ্ঠী শীত তাপ প্রচন্ডতায় বিশ্বাসী” এই মূল মন্ত্রকে সামনে রেখে শহরের বাহাদুর বাজারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭৩ সালে ১লা মে বৈকালী নাট্যগোষ্ঠী। সাগর সেচা নাটকের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে ফাঁস, গরুরগাড়ী হ্যাডলাইট, সুখসারী, কিংশু যে মরুতে, রাম শ্যাম যদু, স্বপ্ন, লাশ কাটা ঘর, শকুন, নরক থেকে ফেরেসহ ৫২টি নাটকে ১৫০ রজনী মঞ্চস্থ করার মধ্যে সারা বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর নাট্যৎসবে স্বপ্ন বিটিভিতে নতুন ট্রেন, রংপুর বেতারে বেতার নাটকসহ বিভিন্ন আণ্তঃজেলা নাট্যোৎসবে অংশগ্রহণ করে দিনাজপুরের বৈকালী নাট্যগোষ্ঠী একটি প্রতিষ্ঠিত নাট্যগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। তারই ধারাবাহিকতার সুত্র ধরে গত ৯ নভেম্বর নাট্য সমিতির নাট্যোৎসবে এখন দুঃসময় নাটকটি নাট্য পিপাসুদের হৃদয় স্পর্শ করেছে। শিল্পীদের অভিনয় আরও প্রমান করেছে বৈকালী নাট্যগোষ্ঠী নাট্যজগতে ছিল, আছে এবং থাকবে।

নাটকে অভিনয় যারা করলেন তারা হলেন ব্যাপারী চরিত্রে জাহাঙ্গীর পোদ্দার হিরু, সোনা-কাশী কুমার দাস, জরিনা- আজিজা খানম মনি, মুন্সি- কফিল উদ্দিন সরকার, প্রথম পথচারী- বাবলু দাস, দ্বিতীয় পথচারী- নজরুল ইসলাম নাজু, প্রথম বন্যার্ত- মোঃ সফিক, দ্বিতীয় বন্যার্ত- শুকুমার রায়, প্রথম করিতকর্মা- সৈয়দ মনসুরুল হোসেন ডাবলু, দ্বিতীয় করিতকর্মা- সৈয়দ আহম্মেদ সিদ্দিক, তৃতীয় করিদকর্মা- মিজানুর রহমান মিজান, চতুর্থ করিতকর্মা- মোছাঃ বেবী। সহকারী পরিচালক হিসেবে ছিলেন- বাবলু দাস, লাইটিং-এ সমর, মিউজিকে- নজরুল ইসলাম নাজু, রূপসজ্জায়- আইয়ুব আলী, স্মারকে- শফিউদ্দিন আহম্মেদ, মঞ্চে- কাশি কুমার দাস ঝন্টু এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন- বৈকালী নাট্যগোষ্ঠীর কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আহাম্মেদ সিদ্দিক।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য