গরুর খুরা রোগদিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় বিছিন্ন ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে গরুর ক্ষুরারোগ। আকস্মিক এ ক্ষুরারোগের আক্রমনে দিসা হারা কৃষক। উপজেলার প্রাণী সম্পদ দপ্তর বলছেন ঐ রোগ প্রতিরোধে যে টিকার প্রয়োজন তা চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। উপজেলার রামচন্দ্রপুর, সুন্দরপুর, মুকুন্দপুর, রসুলপুর,ডাবর এবং তারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে অন্তত তিন শতাধিক গরুর ক্ষুরারোগে আক্রান্ত হয়েছে।

রোগটির ছোয়াচে হওয়ায় দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে এলাকার কৃষকদের দাবী। গরুর মালিকদের অভিযোগ, ঐ রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় উপযুক্ত সময়ে গরুর টিকা প্রদান। প্রাণী সম্পদ দপ্তরে যোগাযোগ করে চাহিদার তুলনায় ক্ষুরা রোগের টিকা সরবরাহ কম থাকায় পাওয়া যায়নি। এখন অফিসে গেলে ঔষুধ লিখে দিচ্ছে। উপজেলার গরুর একাধিক মালিক জানান অনেকের বাড়ীর সকল গরুই ক্ষুরারোগে আক্রান্ত হয়েছে।

এক সপ্তাহ ধরে পল্লী চিকিৎসক দিয়ে গরুর চিকিৎসা করেও সুস্থ্য হয়ে উঠছে না। অনেকে আবার ক্ষতি কম করতে কমদামে হাটে বিক্রি করে দিচ্ছে গরু। কৃষকদের দাবী ক্ষুরারোগে আক্রান্ত গরু সেরে উঠলেও সহজে সবল হয়ে উঠেনা। গত কয়েকদিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাঁচটি ছোট গরুর বাছুর মারা গেছে। ছোট বাছুরের ক্ষেত্রে রোগটির নাম হচ্ছে টাইগারহার্ড ডিজিস হয়ে মারা যাচ্ছে।

বড় গরুর ক্ষেত্রে এটির নাম ক্ষুরারোগ। উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবু ছাঈদ আমাদের প্রতিনিধিদের জানান একদিন হতে দুই মাস পর্যন্ত ৯৫ ভাগ গরুর বাছুর মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তিনি আরোও বলেন সরকারী ভাবে টিকা সরবরাহ কম হওয়ায় কৃষকদের মাঝে সঠিক ভাবে টিকা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য