শৈত্য প্রবাহে কুড়িগ্রামের জনজীবন আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরো ২শিশুসহ ২দিনে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে আরও ১০৩ শিশু।
শীত ও ঠান্ডার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। অনেকেই হাসপাতালের শয্যা না পাওয়ায় বারান্দা ও মেঝের ওপর গাদাগাদি করে আশ্রয় নিয়ে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে। রোগীর স্বজনরা চিকিৎসা সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেন।
সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আশা এক শিশুর অভিভাবক শমসের আলী জানান, গতকাল বিকেলে আমার বাচ্চা নিয়ে এসেছি শুধু ইমারজেন্সির ডাক্তার ছাড়া এখন পর্যন্ত কোনো ডাক্তার দেখতে আসেনি।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসক ডা.মাহফুজার রহমান জানান, শীতজনিত রোগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় ৩৯ জন ও নিঊমোনিয়ায় ৩১ জনসহ ১০৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হঠাৎ করে এতো রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাচ্ছি।
রংপুর আবহাওয়া অফিস জানায়, শনিবার এ অঞ্চলের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ৩-৪দিন তাপমাত্রা আরও নিচে নেমে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য