05রফিক প্লাবন ॥- শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা অষ্টমীতে দিনাজপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমে আরতি, অঞ্জলী দান ও প্রসাদ নেওয়ার মধ্য দিয়ে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী সব নারীর মধ্যে মাতৃরূপ উপলব্ধি করতেই এ পূজার আয়োজন হয়।

২১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় দিনাজপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমে কুমারী পূজা শুরু হয়। এর আগে কুমারী কন্যাকে স্নান করিয়ে নতুন পোশাক, ফুলের মালা ও অলঙ্কারে সাজানো হয় দেবীরূপে। দিনাজপুরে এবারের ‘কুমারী’ দিনাজপুর শহরের বড়গুড়গোলা এলাকার পিতা নারায়ন ব্যানার্জী ও মাতা সাথী ব্যানার্জীর ৭ বছর বয়সী শিশু কণ্যা নিরুপমা ব্যানার্জী।
03
দিনাজপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রম এর অধ্যক্ষ স্বামী অমেয়াত্মানন্দ মহারাজ বলেন, মহা অষ্টমী হলো দুর্গোৎসবের সেই মুহূর্ত, যখন অকল্যাণের প্রতীক মহিষাসুর বধকাণ্ড চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। এই তীথিতেই শুদ্ধাত্মা দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে কুমারী কন্যাকে মাতৃরূপে অঞ্জলী দেয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা, যার নাম কুমারী পূজা। সাধারণত ১৬ বছরের কম বয়সী কন্যা শিশুদের মধ্যে থেকে ‘দেবীত্বের লক্ষণ বিচার করে’ কুমারী নির্বাচন করেন পুরোহিতরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি চিত্ত ঘোষ, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর কুমার রায় সহ রামকৃষ্ণ মিশন ও আশ্রমের পুরোহিতসহ হাজারো ভক্তবৃন্দ।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য