jellkhanaআনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল ॥ ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা জেলখানাটি এখন ভুতের বাড়িতে পরিণত হয়েছে। এরশাদ সরকারের শাসনামল ১৯৮৫ সালে ৩৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১২০ জন কয়েদী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন জেলখানাটি নির্মিত হয়। বর্তমানে জেলখানার ভিতর অংশে জঙ্গলি গাছ গাছালিতে ভরে গেছে।

কারাগারের ভিতর শিয়াল, সাপ, বিষাক্ত পোকা-মাকড়, পশু পাখির বাসস্থানে পরিণত হয়েছে। পরবর্তিতে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে উপজেলা আদালত বাতিল হওয়ার পর থেকে এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে।

এটি পরিত্যক্ত হওয়ার পরেও দুই জন কারারক্ষী সার্বক্ষনিক দেখাশুনার কাজে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পরবর্তিতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছিল।

সন্ধ্যা হলেই জেলখানাটি ভুতের বাড়িতে পরিণত হয়। তাছাড়া জেলখানার ভিতরে ঝোপ জঙ্গল থাকায় সেখান থেকে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় উপজেলা চত্বরে স্থানান্তরিত করা হয়।

বর্তমানে জেলখানার দেওয়ালের অবকাঠামোগুলো ভেঙ্গে পড়ে যাচ্ছে। দরজা জানালা মানুষ ভেঙ্গে নিয়ে পালাচ্ছে। সংস্কার ও তদরকির অভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
সচেতন মহল মনে করেন, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সৎ ইচ্ছা থাকলে জেল খানাটিতে যে কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব। যাতে অনেক বেকার মানুষের কর্ম সংস্থান হতে পারতো। ঘুচতো এলাকার বেকারত্ব।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসান বলেন, জেলখানাটি সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পদ। সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তান্তর সাপেক্ষে এখানে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব। শিল্প কারখানা গড়ে উঠলে শিল্পের অগ্রযত্রাসহ এলাকার অনেক বেকারত্ব দুর হবে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য