লালমনিরহাটের বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যুৎ সংযোগলালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বিলুপ্ত বাঁশকাটা ছিটমহলে বিদ্যূৎ সংযোগ কার্যক্রম চালু  হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ১১২ নং বাঁশকাটা বিলুপ্ত ছিটমহলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর অঞ্চলের বিতরণ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ আলা উদ্দিন এই বিদ্যুৎ সংযোগ কার্যক্রম চালু করেন।

বিলুপ্ত ১১২ নং বাঁশকাটা ছিঠমহলে বাসিন্দা আমিনুর ইসলাম (৫০) জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা ৬৮ বছর পর অবরুদ্ধ জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছি। এই প্রথম আমরা বিদ্যুৎ সংযোগ পেলাম। এখন আমাদের ছেলে-মেয়েরা বিদ্যুতের আলোয় পড়াশুনা করতে পারবে। অল্প খরচে সেচের মাধ্যমে ধান চাষ করতে পারবো। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহাদাৎ হোসেন সরকার, লালমনিরহাটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসনাত জামান, পাটগ্রাম অঞ্চলের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এজেডএম সাইফুল ইসলাম মন্ডল, পাটগ্রাম আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শাহ নূর-উন-নবী আল কামাল আযাদ, সাবেক ছিটমহল নেতা আজিজুল ইসলাম, শাহ আব্দুল হামিদ আফতাবীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বিদ্যুৎকর্মকর্তারা জানান, বাঁশকাটা এলাকায় অস্থায়ী কমিউনিটি ক্লিনিক মাঠে ২৫০ কেভি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিদ্যুতিক ট্রান্সফরমার স্থাপনের মাধ্যমে বিলুপ্ত ছিটমহলবাসীদের জন্য বৈদ্যুৎ সংযোগ কাজ শুরু করা হয়। পর্যায়ক্রমে লালমনিরহাটের ৫৯ টি সাবেক ছিটমহলে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে বলে জানান।

পরিবার সুত্রে জানা গেছে, নিখোঁজের পর অনেক খোঁজাখুজি করেও তাদেরকে না পেয়ে হাতীবান্ধা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি শিশু দুটিকে ফেরত দেয়া হবে মর্মে অপরিচিত মোবাইল ফোন নম্বর থেকে তিন লক্ষ টাকা দাবি করে ক্ষুদে বার্তা আসে নিপার ভাই রুবেলের মুঠোফোনে। বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

রুবেল মিয়া জানান, আমার মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে আমাদের কাছে থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছে। এতে নিপা ও সাজেদুলকে  ফিরিয়ে দিবে বলে জানান।

পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিয়ার রহমান বলেন, শিশু দুটি নদীতে গোসল করতে গিয়ে হারিয়ে গেছে বলে শুনেছি মাত্র।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন প্রধান শিশু দুটি নিখোঁজের ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়রীর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য