ক্যামেরায়ঃ নুর ইসলাম। ছবি ০৪/১০/১৫

ক্যামেরায়ঃ নুর ইসলাম। ছবি ০৪/১০/১৫

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হিমালয়ের একবারে কাছে অবস্থিত হওয়ায় দিনাজপুর জেলায় শীত নামে বেশ আগেভাগেই। এবারো এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। কদিন থেকেই শুরু হয়েছে হালকা কুয়াশা। ক্রমেই তা ভারী হচ্ছে। আজ ভোর থেকে শুরু হচ্ছে মাঝারি কুয়াশা।

রাতের কুয়াশার পরিমান বেড়ে যাওয়ায় সকালে সূর্য ওঠার পরও জমির আইল দিয়ে হাটলে শরীর ভিজে যাচ্ছে। শীষ বের হওয়া আমন ধানের গাছে সূর্য ওঠার অনেক পর পর্যন্ত শিশির লেগেই থাকছে।

দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। বিকেল থেকেই শীতল বাতাস আর সন্ধ্যার পরই কুয়াশা ঝরতে শুরু করেছে। মধ্যরাতের পর টিনের চালা থেকে পড়ছে হালকা বৃষ্টির মত পানি। সকালে গাছ-গাছালিতে জমে থাকছে শিশির। সূর্য ওঠার অনেক পর পর্যন্ত জমে থাকা শিশির দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শীতের প্রস্তুতি হিসেবে অনেকেই পুরনো শীতবস্ত্র ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন। আবার অনেকে নতুন করে লেপ-তোষক তৈরি করে নিচ্ছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিম্ন আয়ের মানুষদের শীত নিবারণের একমাত্র অবলম্বন কাঁথা। এসব পরিবারের নারী সদস্যরা এখন কাজের ফাঁকে তাদের পুরনো কাঁথা সেলাই আর ছেড়া শাড়ি-লুঙ্গি দিয়ে নতুন কাঁথা তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

এখন জেলার সর্বত্র চলছে শীতকে বরণ করার প্রস্তুতি। দিনাজপুর শহর ও উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের কাজের গতি বেড়ে গেছে। তাদের এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। জেলা শহরের চুরিপট্টি লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে দেখা গেছে কারিগররা নতুন লেপ তৈরিতে ব্যস্ত।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য