ballo bibaho2সাখাওয়াত হোসেন সাখাঃ কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা গ্রামের ছষ্ঠ শ্রেণীতে পড়Ñয়া আব্দুস ছলিমের মেয়ে সুন্দরবালী (১১) ও সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া কফিল উদ্দিনের মেয়ে লিপি আক্তার (১৩) বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারঃ) শংকর কুমার বিশ্বাস। সুন্দরবালী দাঁতভাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ও লিপি আক্তার একই বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী।

গ্রামবাসী জানায়, সুন্দরবালীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের টাপুর চর গ্রামের মৃত ফজর উদ্দিনের ছেলে মোয়াজেক হোসেন (২৮) ও লিপির সঙ্গে একই ইউনিয়নের ঝগড়ার চর গ্রামের মোবারকের ছেলে ওয়াহিদুর রহমান অমেল (২২) এর সঙ্গে গতকাল শুক্রবার এই দুই বিয়ের দিন ঠিক হয়। সন্ধায় বিয়ের কায্যক্রম শুরু হয়।

সেই বাল্য বিবাহের কথা শুনে দাঁতভাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাল্যবিবাহ বন্ধ করার জন্য বলেন। কিন্তু বন্ধ না সেই বিয়ে আরো জাকজমক করে তোলেন। স্থানীয় সাংবাদিকের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারঃ) শংকর কুমার বিশ্বাস বিষয়টি জানতে পারে। খবর পেয়ে গত রাত ১১ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন তিনি।

কাজী সেকেন্দার আলী চেয়ারম্যানের ভুয়া সনদ নিয়ে রেজিষ্ট্রির জন্য প্রস্তত হন। পরে পুলিশ দেখে পালিয়ে যায় বরসহ বিয়ের বাড়ীর লোকজন। এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ অফিসে বসে বাল্য বিয়ের ক্ষতিকর দিকনিয়ে আলোচনা করেন। এর পর এ ধরনের ঘটনা না ঘটে এ জন্য এলাকাবাসীর প্রতি সহযোগিতা কামনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

পরে আবার শুনা যায় ঐ রাতে দুই বিয়ের বর ও কনেরা রাত ৪.৩০ মিনিটে কুড়িগ্রাম (কোর্ট) লোটারি পাবলিকের উদ্দেশে রওনা দেয়। কোর্টে বিয়ে সম্পন হবে বলে তারা মনে করে। বিষয়টি নিয়ে পুরো উপজেলা মিলে চাঞ্চলকর সৃষ্টি হয়েছে।
[ads1]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য