টিকিট সোনার হরিণমো. জাকির হোসেন, সৈয়দপুরঃ নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রেন ও বাসের টিকিট সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঈদের পরের বাসের টিকিট অতিরিক্ত টাকা দিয়েও যেমন মিলছে না তেমনি স্টেশনে টিকিট সিন্ডিকেটের কারণে লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পাচ্ছেন না ট্রেনের যাত্রীরা। এমনকি উড়োজাহাজের টিকিটও মিলছে না। ফলে পরিবারের সাথে ঈদ পালন শেষে ফেরা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন অনেকে।

সৈয়দপুর শহর থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতে জন্য দিবা ও নৈশ কোচ নাবিল, ডিপজল, শ্যামলী, হানিফ, বাবলু, মেহেরুন, খালেক, এসআর ট্রাভেল, এসএ পরিবহন, কেয়া প্রভৃতি গাড়ি চলাচল করে। এর মধ্যে কয়েকটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত গাড়িও রয়েছে। এসব গাড়ির কাউন্টারে পরের ৭ দিন পর্যন্ত টিকেট মিলছে না। তবে অতিরিক্ত পয়সা ও সিন্ডিকেটের দ্বারস্থ হলে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। এতে যাত্রীদের ১শ’ থেকে ২শ’ টাকা অতিরিক্ত গুণতে হচ্ছে।

এদিকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েও টিকিট পাচ্ছেন না যাত্রীরা। লাইনের দু’একজনকে টিকিট দেয়ার পর বলা হচ্ছে টিকিট নেই। টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। ফলে যাত্রীরা হতাশ হয়ে ফিরছেন। টিকিট কালোবাজারী ও কতিপয় শ্রমিক নেতা এখানকার ট্রেনের টিকিট নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই সিন্ডিকেটের সহায়তা অর্থ দিয়ে অনেকে টিকিট কাটছেন গন্তব্যে পৌঁছার জন্য।

সৈয়দপুর স্টেশন মাস্টার আবুল কাশেম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিটি স্টেশনের জন্য ট্রেনের টিকিট নির্দিষ্ট করে দেয়া আছে।

লাইনে দাঁড়িয়ে যে গন্তব্যের টিকিট চাইলে সেখানকার টিকিট থাকলে দেয়া হচ্ছে। কালোবাজারী বা টিকিট সিন্ডিকেট বলে এই স্টেশনে নেই বলে উল্লেখ করেন।

এছাড়া সৈয়দপুর- ঢাকাগামী বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ঈদের আগে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালু করলেও টিকিট মিলছে না। ফলে অবস্থাপন্ন যাত্রীরাও বেকায়দায় পড়েছেন।
[ads1]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য