5_FNS_M_03-03-14বর্ধিত ফি প্রত্যাহারের দাবিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের দুদিনের ধর্মঘট গতকাল সোমবার শেষ হয়েছে। ধর্মঘট চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্দোলনকারিদের মাইকের হর্ন ভেঙ্গে দেয় ও শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ করে। এরই প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থানসহ তিন দিনের কর্মসুচি ঘোষণা করে তারা। এদিকে, ধর্মঘটের ফলে ক্লাস বন্ধ থাকলেও ভর্তি কার্যক্রম চালু ছিল।
প্রগতিশীল ছাত্রজোট ধর্মঘটের দ্বিতীয়দিনে গতকাল সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কক্ষে তালা ঝুঁলিযে দেয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তালা ভেঙ্গে কার্যক্রম শুরু করে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসহ সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

পরে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে। তারা কবি হেয়াত মাহমুদ ভবনের সামনে সমাবেশ করে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের মাইকের হর্ন ভেঙ্গে ফেলে এবং তারা আন্দোলনকারিদের সাথে খারাপ আচরণ করে। এরপর আন্দোলকারিরা সেখানেই সমাবেশ করে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আহসান হাবিব। বক্তব্য রাখেন জোটের নেতা উৎপল কুমার মোহন্ত, উজ্জল রায়, রুহুল আমিন, মিলন রায়, মনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা হর্ন ভেঙ্গে ফেলা ও খারাপ আচরণের প্রতিবাদে তিনদিনের কর্মসুচি ঘোষণা করে। এরমধ্যে আজ মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসুচি, ৬ মার্চ বর্ধিত ফি ফেরত দেওয়ার দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ৯ মার্চ জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান।

রোববার থেকে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ক্যাম্পাসে ধর্মঘট শুরু করে। তারা জানায়, চলতি সেশনে গত বছরের তুলনায় বেতন ৩৫ থেকে ৫০ টাকা বৃদ্ধি, হল অ্যাটাচমেন্ট বাবদ ১ হাজার টাকা এবং অন্যান্য নিয়মিত খাতে সর্বমোট প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ময়নুল আজাদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ ভর্তি কার্যক্রমসহ সকল কাজ শান্তিপুর্নভাবে চলছে। তিনি জানান, প্রগতিশীল ছাত্রজোটের যেসব দাবি তা সম্পুর্ন অযৌক্তিক।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য