ROBIN copyদিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মেহেদী হাসান রবিন (২৮) নামে এক যুবককে ইয়াবাসহ আটক করাকে কেন্দ্র করে দিনভর নাটকীয় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আটক রবিন বগুড়া সদরের নিশিন্দারা মধ্যপাড়া গ্রামের মোঃ মোফাজ্জল হোসেনের পুত্র।

ইয়াবাসহ আটক যুবক উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুরকে উক্ত ইয়াবা সরবরাহকারী এমন অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম উপজেলা ঘেরায়ের চেষ্টা চালান।

যে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে গত বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুর ও উপজেলা চেয়াম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে নাটকের সুত্রপাত।

উপজেলা চেয়াম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুর সেবনের লক্ষ্যে বগুড়া থেকে একটি যুবকরে দ্বারা ইয়াবা সরবরাহ করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিত্বে স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ আবেদ আলী, মোঃ শাহীনুর ইসলাম, মোঃ মোশারফ হোসেন, মোঃ নাজমুল ইসলাম মিলন, স্থানীয় শ্রমিক নেতা মোঃ আনিসুর রহমান ও আমার ম্যানেজার মোঃ সাঈদ সিদ্দিকী মিলনসহ রাত ১১টায় হতে গোপনে উপজেলার গেটে অবস্থান নেই।

রাত আনুমানিক ২টায় একটি যুবক নাবিল পরিবহন থেকে নেমে উপজেলা দিকে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে আমার বাড়ীতে নিয়ে এসে তল্লাশী চালিয়ে ৬পিচ ইয়াবা, পেপসি বোতলে আড়াই লিটার কোমল পানীয়, ২টি সিগারেটের রুপালী কাগজ, ১টি কাপড়ের ব্যাগ এবং এবং সিম্পনী মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। মোবাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুরের সাথে বিভিন্ন সময়ের কথকপন রেকর্ড রয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল মনজুর জানান, সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক নাটক সাজিয়েছেন। প্রকৃত পক্ষে মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জহরুল হককে দুর্নীতির অভিযোগে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করে প্রভাষক রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়ায় এবং বুধবার তুচ্ছ বিষয়ে মনোমালিন্য নিয়ে তিনি রাগের বশিভূত হয়ে ইয়াবা নাটক সাজান এবং উপজেলা ঘেরায়ের চেষ্টা চালান।

বীরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের ম্যানেজার মোঃ সাঈদ সিদ্দিকী মিলন বাদী হয়ে আটক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-১৩। তারিখ-১৭/০৯/১৫ইং। বিষয়টি রহস্যজনক বিধায় তদন্ত না করে এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করা সম্ভব নয়। যে কোন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য