সুন্দরগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙ্গনসুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত ৭ দিনে ৫শ পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে তিস্তা নদ-নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিলে নদী ভাঙ্গন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।

এতে করে কাপাশিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাশিয়া, লালচামার, পূর্ব লাল চামার, কাপাশিয়া, বাদামের চর, ভাটি বুড়াইল, উজান বুড়াইল, চন্ডিপুর ইউনিয়নের বোচাগাড়ী, উজান বোচাগাড়ী, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া, হরিপুরের কানি চরিতাবাড়ি, পাড়া সাদুয়া, কাশিমবাজার, তিস্তা বাজারের রামডাকুয়া, হাজারীর হাট, লখিয়ার পাড়া, তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা, বিরহীমের চর।

ইতোমধ্যে ওই সকল এলাকার ৫শ পরিবারের ধান ক্ষেত, পানের বরজ, বাঁশ বাগান, তরকারি ক্ষেত, বসতবাড়িসহ আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে সুন্দরগঞ্জ পৌর শহরের তিস্তা বাজার , জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, ডর্মেটরীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এভাবে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে উপজেলার মানচিত্র বিলীন হয়ে যাবে।

ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় মানুষজন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এদিকে রামডাকুয়ার এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিটিং এ আছেন অজুহাত দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য