Death মৃত্যু Hotta khun হত্যাকুড়িগ্রামের রাজিবপুরে চিকিৎসক ও নার্সের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রোগীর লোকজন দায়িত্ব প্রাপ্ত ডাক্তারকে পারপিট করার ঘটনা ঘটিয়েছে। পরে এলাকাবাসী হাসপাতাল ঘেরাও করে এক বিক্ষোভ মিছিল করেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে রাজিবপুর উপজেলার বড়াইডাঙ্গি গ্রামের সুরুজ্জামানের ছেলে আবদুল আলিম(৩৬) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার আত্মীয়স্বজন তাকে সঙ্গে সঙ্গে রাজিবপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

উপজেলা স্বাস্থ ও পপ কর্মকর্তা আবদুল মাবুদ তার চিকিৎসা না দিয়ে  সহকারী চিকিৎসক (সেকমো)আব্দুল কুদ্দুসকে রোগীটি দেখতে বলেন। আবদুল কুদ্দুস তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। সোমবার(৯সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে  রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হলে রোগীর আত্মীয় স্বজন কর্তব্যরত ডাক্তার ও নার্সকে রোগী দেখতে বলেন। কিন্তু  ডাক্তার ও দায়িত্ব প্রাপ্ত নার্স ফাতেমা সহ কেউ তাকে দেখতে আসেনি  ও চিকিৎসা  দেয়নি।  ফলে রোগীটি মারা যায়। মৃত্যুর খবর শুনে রোগীর লোকজন ও এলাকাবাসী নার্স ফাতেমাকে ধাওয়া ও আবদুল কুদ্দুসকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে।

এদিকে এলাকারবাসি খবর পেয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা ব্যাপী হাসপাতাল ঘিরে রাখে। এলাকাবাসীর অভিযোগ উপজেলা স্বাস্থ ও পপ কর্মকর্তা আবদুল মাবুদ হাসপাতালে দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই রাজিবপুর হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তিনি কোনো চিকিৎসা দেন না । তার স্বেচছাচারিতার কারণে কোনো চিকিৎসকই হাসপাতালে থাকতে চাননা। এ নিয়ে এলাকাবাসী কঠোর আন্দোলন করার প্রস্ত ুতি নিলে,  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল আলম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল লতিফ খান তাদের ২ জনকে বদলি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলাকাবাসিকে শান্ত করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ ও পপ কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান,রোগীটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর অবস্থা খারাপ হওয়ায় আমরা তাকে রেফার্ড করি। কিন্তু  রোগীর লোকজন জোর করে হাসপাতালে রেখে দেয়।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য