বিরলের মঙ্গলপুরে পুকুর, শ্মশান ও মন্দিরকে গ্রাস করার পায়তারা চালাচ্ছেবিরল, (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ বিরলের মঙ্গলপুর ইউনিয়নের সাকোয়া গ্রামের হিন্দু জনসাধারনের মালিকানাধীণ পুকুর, শ্মশান ও মন্দিরকে গ্রাস করার পায়তারা চালাচ্ছেন একটি ভূমি দস্যু চক্র।

সরেজমিনে জানা যায়, বিরল উপজেলার ৯নং মঙ্গলপুর ইউপির সাকোয়া মৌজার ২একর ২৬ শতাংশ পুকুর, ২একর ৫৬ শতাংশ পাড়, যা ঐ মৌজার হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবহার্য হিসাবে ১৯৮৪ ইং সালে ঐ জমির মুল মালিক মহি উদ্দিন এর কাছ থেকে সকলের নামে কবালামূলে রেজিষ্ট্রি করে নেন। ঐ সময় থেকে সাকোয়া গ্রামের হিন্দু জনসাধারণ পাড়ে কালি মন্দির নির্মান করে পুজা অর্চনা করে আসছেন। এবং পাড়ের অন্য অংশে শ্মশান হিসাবে ব্যবহার করে আসছেন।

বর্তমানে ঐ শ্মশানে এলাকার শতাধীক মৃত ব্যক্তিকে দাহ্য করা হয়েছে এবং দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে ২একর ২৬ শতাংশ পুকুরটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে বিভিন্ন জনকে লীজ দেওয়া হয় এবং লীজের টাকা দিয়ে মন্দির, শ্মশান সংস্কার ও পুজা অর্চনার কাজে ব্যয় করা হয়। বর্তমানে ঐ পুকুরটি ৯নং ইউপি চেয়ারম্যান সেরাজুল ইসলাম এর পুত্র সহ তাহার বন্ধুরা মিলে ১ লক্ষ টাকায় ৩ বছরের জন্য লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন।

এদিকে ঐ গ্রামের দু- চারজন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোককে হাতিয়ার বানিয়ে এলাকার একটি ভুমি দস্যু চক্র তাদের এই মূল্যবান সম্পদকে গ্রাস করার জন্য বিভিন্নভাবে পায়তারা চালাচ্ছে। সাকোয়া গ্রামের সাধারণ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ও সচেতন মহল তাদের এই সম্পদ রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য