2দিনাজপুর, (খানসামা) সংবাদাতা:- দিনাজপুরের খানসামা উপজেলাধীন আলোকঝাড়ী গ্রাম ভাঙ্গছে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে। আলোকঝাড়ী গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন নদী গর্ভে। ভাঙ্গনে হারিয়ে গেছে ফসলি জমি, বসত বাড়ি, রাস্তাঘাট। নি:স্ব হয়েছে শত শত মানুষ।

৭ দিনের একটানা বর্ষনের কারনে খানসামা উপজেলার ১নং আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের আলোকঝাড়ী গ্রামে নদী ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারন করেছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই গ্রামে তিনটি পরিবারসহ প্রায় ৫ একর জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। এই ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।

ভাঙ্গন আতংকে নদীর তিরবর্তী লোকজন বাড়ি ঘর সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। নদী ভাঙ্গনের স্বীকার আলোকঝাড়ী গ্রামের জমীর উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, রবিউল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, নুর আলম মেম্বার, শুনীল দাস, অনিল দাস, চন্দ্র মোহন সহ অনেকে বলেন এখনই প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে অল্প সময়ের মধ্যে শত শত বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। শনিবার এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিতভাবে ভাঙ্গন রোধের জন্য আবেদন করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজেবুর রহমান , পানি উন্নয়ন বোর্ড  এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মুক্তার হোসেন , ১ নং আলোকঝাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মকছেদুল গনি , খানসামা উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম প্রভাষক , ত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাক মো: ছাদেকুল ইসলাম , খানসামা প্রেসক্লাব সভাপতি, মো: মোজাফ্ফর হোসেন,  প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক সিকান্দার আলী কাবুল ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপি মুঠোফোনে পানি উন্নয়ন বোর্ড  এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মুক্তার হোসেনকে ভাঙ্গন এলাকায় নদীতে বাঁধ নিমাণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন  ও  নির্দেশ দেন । নির্বাহী প্রকৌশলী  নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত গতিতে গ্রহন করবেন বলে এলাকা বাসীকে আশ্বত্য করেন ।
[ads1]
[ads2]

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য